তৃণমূল ও জরিপে যারা এগিয়ে আছেন তাদেরকেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে দ্বিতীয় ধাপে ১২৯ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, বিএনপি আন্দোলন করে কিছু করতে পারবে না তাই মামলা ছাড়া তাদের কিছু করার নাই।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তৃণমূল ও জরিপ রিপোর্ট। দুটো মিলিয়ে জনমত জরিপে যারা এগিয়ে তাদেরকে আমরা মনোনয়ন দিয়েছি। মামলা করার নিয়ম আছে তারা করতে পারে। আন্দোলন করে কিছু করতে পারবে না। আন্দোলন করার ক্ষমতা ও সক্ষমতা নাই। নালিশ ও মামলা এ দু’টো নিয়ে তাদের থাকতে হবে।

উপজেলা নির্বাচনে জামাত নেতাদের আওয়ামী লীগের মনোয়ন পাওয়ার বিষয়টি তদন্তে করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে প্রার্থী তালিকা বাতিল করা হবে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

চিহ্নিত আসামির স্কাইপে বার্তা পাঠানোর বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন, নিয়ম অনুযায়ী কেউ মামলা করলে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, যারা ইতিমধ্যে এক একটি পদে আছেন তাদের আর মনোনয়ন দেয়া হবে না।

এর আগে ১০ মার্চ ৮৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে এবারের উপজেলা নির্বাচন। প্রথম ধাপের উপজেলাগুলোতে চেয়ারম্যান পদে ৮৭ প্রার্থীর নাম গতকাল প্রকাশ করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপে রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও, রংপুর, গাইবান্ধা এবং দিনাজপুর চারটা জেলার সব উপজেলা, রাজশাহী বিভাগের বগুড়া, নওগাঁ আর পাবনা জেলার সবগুলো উপজেলায় ভোট অনুষ্টিত হবে।

এ দফায় সিলেট বিভাগের সিলেট এবং মৌলভীবাজারের সব উপজেলা, ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ এবং ফরিদপুর জেলার সব উপজেলায়ও ভোট হবে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তর চট্টগ্রামের উপজেলা (সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, রাউজান, মীরসরাই ও হাটহাজারী) রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি আর বান্দরবান জেলার সব উপজেলা এবং নোয়াখালীর হাতিয়া ও কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এই ধাপে ভোট হবে।

এবার পাঁচ ধাপে উপজেলায় ভোট করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১০ মার্চ ও ১৮ মার্চের পর তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ হবে ভোটগ্রহণ। পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোট হবে ১৮ জুন।

বিএনপি ও তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না।

এই অবস্থায় দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যানের দুটি পদে দলীয়ভাবে প্রার্থী না দিয়ে উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here