নিউজিল্যান্ডের হোম সিরিজ বলেই বাংলাদেশকে নিয়ে এত আলোচনা। কারণ এখন পর্যন্ত কিউইদের মাটিতে তাদের হারানোর কোনও নজির নেই বাংলাদেশের। এই অবস্থায় দলটির গায়ে আন্ডারডগ তকমা লাগলেও কোচ স্টিভ রোডস এমন ট্যাগ লাইন নিয়ে মোটেও বিব্রত নন। বরং উপভোগ করছেন এমন তকমা।

বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামবেন মাশরাফিরা। ক্রিকেটাররা দেশে টানা এক মাস ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসর বিপিএল নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

বিপিএল ব্যস্ততার পর মেলেনি সময়। ঠাসা শিডিউলের মধ্যে ভিন্ন কন্ডিশনে ভিন্ন সংস্করণে নামতে হচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জ তো আছেই। ঘরের মাঠে ভীষণ শক্তিশালী কেইন উইলিয়ামসদের বিপক্ষে মাশরাফিদের দিতে হবে স্কিলের সর্বোচ্চ পরীক্ষা।

রোডস এই বাস্তবতা বোঝেও নিজেদের আশাবাদ শোনালেন অন্যভাবে,  ‘এটা অনেক বড় পরীক্ষা। আমাদের অধিনায়ক মাশরাফি গণমাধ্যমে বলেছে যে আমরা জিততে পারবে না এমন না। গত কদিনে আমরা দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুই সিরিজে হারালাম। ওখানে থেকে প্রেরণা নেওয়ার আছে। কিন্তু নিউজিল্যান্ডে কাজটা অনেক কঠিন হবে। বাস্তবতা বুঝতে হবে। আমরা আন্ডারডগ থাকতে পছন্দ করব। এবং আন্ডারডগ থেকে আমরা চমকে দিতে চাই। আমার মনে হয় নিউজিল্যান্ড জানে তারা ভালো ক্রিকেট খেলে আমাদের হারাতে পারে।’

গেল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংল্যান্ডের কার্ডিফে তরতাজা স্মৃতি আছে বাংলাদেশ। কঠিন পরিস্থিতিতে সেবার নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল মাশরাফি মর্তুজার দল। সেবারের দলের বেশিরভাগই এই সিরিজেও থাকছেন। এর এটাকে বড় অনুপ্রেরণা মনে হচ্ছে রোডসের, ‘এই দলের অনেকেরই সেই স্মৃতি তরতাজা। এটা সম্ভবত আমাদের জন্য অনুপ্রেরণাও। ’

কেবল সেটাই নয়।  রোডস মনে করেন একই দলের কয়েক বছর ধরে খেলতে থাকাও বাংলাদেশকে দিবে সুবিধা, ‘আমরা বিশ্বকাপের পথে আছি আর সবাই বেশ অভিজ্ঞ। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট অভিজ্ঞতা বাড়ায়। এখানে খেলা কঠিন। তবে এই দলের অনেকের এটা দ্বিতীয় বা তৃতীয় সফর।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here