‘একজন খেলোয়াড় তার গণ্ডির বাইরে বেরোলেই দশজন মতামত দিতে এগিয়ে আসেন। এমন ঘটনা ভীষণই হাস্যকর। খেলোয়াড়দেরও কিছু সময় গণ্ডির বাইরে বেরোতে দেওয়া উচিৎ।’ জনপ্রিয় চ্যাট শোয়ে হার্দিক পান্ডিয়া-লোকেশ রাহুল বিতর্কের ব্যাখ্যা এভাবেই দিলেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগস্পিনার শেন ওয়ার্ন।

কার্যত দুই ভারতীয় ক্রিকেটারের পাশে দাঁড়িয়ে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে প্রাক্তন তারকা লেগস্পিনার জানান, ‘বর্তমানে আমরা একটা এমন পৃথিবীতে বাস করছি যেটা রাজনৈতিকভাবে সঠিক হয়ে উঠছে। খেলোয়াড়দের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি দেখতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি।’ তাদের আবেগ-অভিব্যক্তির মাধ্যমে আমরা খেলোয়াড়দের প্রকৃত হিসেবে দেখতে চাই, কিন্তু অনুরূপ নয়। কিন্তু ওয়ার্নের মতে এমন ঘটনা কাম্য নয়।

গতানুগতিক প্রশ্নোত্তরের যুগে ওয়ার্ন তাই ব্যতিক্রমী হিসেবে উদাহরণ টেনে এনেছেন বিরাট কোহলির। কিংবদন্তি লেগস্পিনারের মতে, ‘কোহলি যা বিশ্বাস করে, অনুভব করে, মুখে তাই বলে। কোহলির ব্যাটিং দেখতে সেইসঙ্গে ওর কথা শুনতে আমি ভীষণ পছন্দ করি। আমি কোহলির একজন বড় ভক্ত।’ ওয়ার্নের কথায়, ‘কোহলি আবেগপ্রবনও বটে। মাঠে কখনও কখনও আবেগ সীমা ছাড়ালেও সেটা উত্তেজনার অঙ্গ।’

লেগস্পিনারের মতে কোহলির সোজাসাপ্টা মন্তব্য এবং ওর সততার জন্য অনুরাগীদের খুব পছন্দের ক্রিকেটার কোহলি। ওয়ার্নের আরও সংযোজন, ‘ইচ্ছাশক্তি এবং প্রতিযোগীতামূলক ভাবধারা কোহলিকে আজ শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। এটা কোনও প্রতিভা বা দক্ষতার বিষয় নয়।’

একইসঙ্গে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান রয়্যালস তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তাকে বেছে নেওয়ায় টেস্ট ক্রিকেটে ৭০৮ উইকেটের মালিক জানান, ‘একটা বিশ্বস্ত যোগসূত্র তৈরি হয়েছে রাজস্থানের মানুষের সঙ্গে। তারা খুব বেশি প্রত্যাশা করে না। কেবল দলের ভালো ফলাফলে বিশ্বাস করে তারা।’ ওয়ার্নের মতে, পছন্দ এবং শ্রদ্ধা করার মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু রাজস্থানের মানুষ এবং ক্রিকেটারদের থেকে তিনি দুটি জিনিসই প্রচুর পরিমাণে পেয়েছেন বলে জানান ১৯৯৯ বিশ্বজয়ী অজি দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here