শুরু হয়েছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন। এরই মধ্যে সবাই ব্যস্ত নিজেদের গুছিয়ে নিতে। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে। এই পর্যন্ত পাঁচবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে টাইগাররা। গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে খেলা বাংলাদেশও ব্যস্ত নিজেদের ঝালিয়ে নিতে। মেগা এই ইভেন্টে শুধু অংশগ্রহণ করতেই যাবে না টাইগাররা, মাশরাফির নেতৃত্বে যাবে বিশ্ব ক্রিকেটকে কাঁপিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে।

ক্রিকেটারদের মতো বসে নেই সংবাদমাধ্যমগুলো। ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ‘ইএসপিএন ক্রিকইফো’ প্রকাশ করেছে এ যাবৎকালে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সেরা একাদশ। ১৯৯৯ সাল থেকে অংশ নেওয়া ক্রিকেটারদের থেকে সেরা পারফরম্যান্স বাছাই করে বাংলাদেশের সেরা বিশ্বকাপ একাদশ নির্বাচন করেছে তারা। জায়গা পেয়েছেন সাবেক আর বর্তমান ক্রিকেটাররা। যেখানে আছেন টাইগারদের বর্তমান পঞ্চপাণ্ডব।

প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই বাংলাদেশ চমক দেখিয়েছিল। সেবার স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছিল টাইগাররা। দুটি ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং খালেদ মাহমুদ সুজন। বিশ্ব মঞ্চে আরও ছয় ক্রিকেটার ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বোচ্চ দুইবার ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন ইমরুল কায়েস এবং সাবেক দলপতি মোহাম্মদ আশরাফুল। একবার করে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ, মিনহাজুল আবেদিন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুশফিকুর রহিম এবং তামিম ইকবাল।

বিশ্বকাপে লাল-সবুজ জার্সিতে মোহাম্মদ রফিক, সাকিব আল হাসান, রুবেল হোসেনরাও ছিলেন দুর্দান্ত পারফরমার। সাবেক দলপতি হাবিবুল বাশার এই সেরা একাদশে জায়গা পাননি। ফলে, অধিনায়কের আর্মব্যান্ডটা দেওয়া হয়েছে মাশরাফির হাতে। এই ম্যাশের নেতৃত্বেই অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মাটিতে গত বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে খেলেছিল।

ক্রিকইনফো প্রকাশিত বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সেরা একাদশ:
মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), সাকিব আল হাসান, মিনহাজুল আবেদিন, মোহাম্মদ আশরাফুল, খালেদ মাহমুদ, মোহাম্মদ রফিক, রুবেল হোসেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here