চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ‘ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল নিমিত্ত ভূমি অধিগ্রহণ’ প্রকল্পসহ ১২ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার শেরে বাংলানগর এনইসিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে সরকার ব্যয় করবে ৯ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এজন্য একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৮৪৬ কোটি টাকা।

উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যুতের এই চাহিদাপূরণ, লোডশেডিং কমানো এবং ২০২১ সালের মধ্যে দেশের সব মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে তিন দেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য ১২০ কিলোমিটার ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট উচ্চ ভোল্টেজের সঞ্চালন লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

‘বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভারতীয় ঋণ ১ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। লাইনটি নির্মিত হলে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া হয়ে সহজে ভারত, নেপাল ও ভুটান দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানি করা যাবে।

প্রকল্পের আওতায় বগুড়া-কালিয়াকৈর পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এরমধ্যে ৯ কিলোমিটার যমুনা রিভার ক্রসিং লাইন রয়েছে। কালিয়াকৈরে দু’টি ৪০০ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও পার্বতীপুরে দু’টি ২৩০ কেভি উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here