বাংলাদেশের দেয়া ২৩৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেটে ৪৫১ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।ফলে ২১৭ রানের লিড পেল কিউইরা। অধিনায়ক উইলিয়ামসন ৯৩ ও ওয়াগনার ১ রানে ক্রিজে আছেন।

এদিন বল হাতে সর্বোচ্চ দুইটি উইকেট নিয়েছেন পার্টটাইম বোলার সৌম্য সরকার। এছাড়া মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ ও মিরাজ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

নিজেদের মাটিতে ২৩৪ রান যে কিছুই নয়। তা প্রথম দিনই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার জিত রাভাল ও টম লাথাম। দলের জন্য ৮৬ রান তুলে দিন শেষ করেছিলেন তারা। শুক্রবার (১ মার্চ) দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নেমে আরও আগ্রাসী হয়ে উঠে এই জুটি। শেষ পর্যন্ত ২৫৪ রানে ভাঙে তাদের জুটি।

১৩২ রানে সাজঘরে ফিরে যান রাভাল। উইকেটটি নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এরপর দলীয় ৩৩৩ ও ব্যক্তিগত ১৬১ রানে টম লাথাম আউট হন। লাথামের আউট হবার কিছুক্ষণ পরই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন টেইলর।

ব্যক্তিগত চার রানে আউট হন তিনি। তিনি যখন ফিরে যাচ্ছিলেন তখন দলীয় স্কোর ছিলো ৩৪৯ রান। এরপর উইলিয়ামসন ও নিকোলাস জুটিতে আসে ১০০ রান। তাদের জুটি ভাঙেন মিরাজ। ব্যক্তিগত ৫৩ রানে ক্রিজ ছাড়েন নিকোলাস।

হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় প্রথম দিনের খেলা শুরু হয়।

এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তামিম-সাদমান জুটি করেন পঞ্চারোর্ধ রান। ব্যক্তিগত ২৪ রানে সাদমান ফিরে গেলে ভাঙ্গে ৫৭ রানের জুটি। এরপর তামিম ও মুমিনুলের ব্যাটে এগুচ্ছিলো বাংলাদেশ। আবার ছন্দপতন।

১২১ রানে পড়ে দ্বিতীয় উইকেট। ব্যক্তিগত ১২ রানে সাজঘরে ফিরে যান মুমিনুল। তামিম একপ্রান্ত আগলে রাখলেও অপর প্রান্ত থেকে শুধুই আসা যাওয়ার মিছিল।

ম্যাচে ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে নিজের ক্যারিয়ারের ৯ম সেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম। ১০০ বলে ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান এ ড্যাশিং ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ১২৬ রানে ফেরেন তিনি।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সাদমান ছাড়া উল্লেখ করার মতো রান আসে কেবল অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ (২২) ও লিটন দাসের (২৯) ব্যাট থেকে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২৩৪ রানে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here