খাদ্যাভ্যাস অথবা জীবনযাপনের নানা পরিবর্তনের কারণে বাড়তে কিংবা কমতে পারে ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ। অনেকেরই ধারণা, উচ্চ রক্তচাপের চেয়ে নিম্ন রক্তচাপ কম ভয়ের।

কিন্তু ভয়ের ব্যাপার হলো, হৃদযন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে নিম্ন রক্তচাপও। দীর্ঘ দিন ধরেই রক্তচাপ কম থাকলে তা অন্য কোনো অসুখের উপসর্গও হতে পারে। তাই এমন হলেও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে সাথে সাথে ঘরোয়া কিছু উপায় অবলম্বন করলে উপকার মিলবে।

জেনে নেই উপায়গুলি:

চিকিৎসকদের মতে, এমন হলে প্রথমেই লবণ-চিনির পানি দিন রোগীকে। এক গ্লাস পানিতে ২-৩ চা চামচ চিনি ও এক চা চামচ লবণ মেশান। লবণের সোডিয়াম ও চিনির শর্করা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তবে ডায়াবিটিসের রোগী হলে চিনি বাদ দিয়ে বেশি করে লবণ-পানি খান। যেদিন এমন হবে, পারলে সেদিন সব খাবারের মাঝেই রাখুন লবণ-চিনির পানি।

রোগীর ঘাড়ে, কানের লতির দুপাশে ও চোখে-মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন। এতে তিনি অনেকটাই সুস্থ বোধ করবেন। স্নায়ুগুলি আরাম পাবে।

শরীরে প্রোটিন কমলেও রক্তচাপের উপর তার প্রভাব পড়ে। দুধ ও ডিমে হাই প্রোটিন। তাই এমন হলে রোগীকে পথ্য হিসাবে দিন ডিম ও দুধ।

কফি প্রেসার বাড়াতে খুব কার্যকর। ক্যাফিন আছে এমন পানীয় তাড়াতাড়ি রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই তা কমে গেলে কড়া করে খফি খেতে দিন রোগীকে।

বাড়িতে যষ্টিমধু থাকলে এই অবস্থায় তা খুব কাজে আসবে। এক কাপ পানিতে ১০০ গ্রাম যষ্টিমধু মিশিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর সেই পানি রোগীকে খেতে দিন। যষ্টিমধু রক্তকে শুধু পরিশুদ্ধই করে না, বরং রক্তচাপের ভারসাম্যও বজায় রাখে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here