ওয়েলিংটনে ৫ দিনের টেস্ট বৃস্টিতে ৩ দিনে নেমে আসার পরও এই টেস্ট বাঁচাতে পারেনি বাংলাদেশ দল। বরং ইনিংস হারে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের পেস জুটি বোল্ট, ওয়েগনারের শর্ট বলে আবারো আতঁকে উঠেছে বাংলাদেশ দল।

টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২১১ কিংবা দ্বিতীয় ইনিংসে ২০৯ রানে ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় হতাশ অধিনায়ক মাহামুদউল্লাহ-‘ খুব হতাশ। এর চেয়ে অনেক ভাল করতে পারতাম। এখন সামনের দিকে তাকাতে হবে। যতোটা সম্ভব মানিয়ে নিতে হবে।’

পঞ্চম দিনে ইনিংস ও ১২ রানে হারার পর মাহমুদউল্লাহ আক্ষেপ করেই বললেন, ‘আমার মনে হয় ব্যাটসম্যানদেরই দায়টা নেওয়া উচিত। কারণ আমরা প্রায় আড়াই দিনে দুই ইনিংসে গুটিয়ে গেছি।’

ব্যাটসম্যানদের দোষগুলো খুব স্পষ্ট করেই মাহমুদউল্লাহ তুলে আনলেন ম্যাচ শেষে। বলতে চাইলেন, ব্যাটসম্যানরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে থাকার দরুণ এই পরিণতি, ‘আসলে দুই ধরনের মানসিকতা থাকায় এই অবস্থা দাঁড়িয়েছে। প্রথম ইনিংসে তামিম ও সাদমান আমাদের ভালো শুরু এনে দিয়েছিলো। এমনকি ওয়াগনার বাউন্সার নিয়ে আক্রমণ করলেও তাকে সামাল দিয়ে খেলেছি। কিন্তু আমরা পরে নিজেরাই সুযোগ দিয়েছি।’

আরও যোগ করে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের আরও লম্বা সময় ধরে বুক চিতিয়ে ব্যাট করার দরকার ছিলো। বেশির ভাগ ব্যাটসম্যান দায়সাড়া গোছের শট খেলেছে। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম না। আমরা দুই ধরনের মানসিকতায় চলছিলাম- শট খেলবো কি খেলবো না।’

চতুর্থ দিনে নিউজিল্যান্ডের রস টেলরের দুটি ক্যাচ মিস হয়েছে আবু জায়েদের ওভারে। মাহমুদউল্লাহ মনে করেন সেই সুযোগগুলো নিতে পারলে বোলারদের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যেত। তাহলে মোমেন্টামও বদলে যেত, ‘আমরা সুযোগ নিতে পারলে মোমেন্টাম ভালো অবস্থায় দাঁড়িয়ে যেত। বোলারদের পক্ষে চলে আসতো। তাহলে আরও কিছু উইকেট পড়তো।’

এই অবস্থায় শেষ টেস্টে ভালো বোলিংয়ের দিকে মনোযোগ মাহমুদউল্লাহর, ‘আবু জায়েদ, মোস্তাফিজ ও তাইজুল ভালো বল করলেও গড় প্রতি ৫ রান করে দিয়েছে। তাই আমাদের শেষ ম্যাচে ভালো বোলিং করার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here