নিউ জিল্যান্ডে একাধিক মসজিদে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী বন্দুকধারীদের হামলায় বহু মুসল্লি নিহত হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩০ জন বলে জানা গেছে। তবে দেশটির সরকারি এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেনি।

দুইজন বন্দুকধারী ক্রাইস্টচার্চের ডিনস অ্যাভিনিউর আল নুর মসজিদ ও পার্শ্ববর্তী লিনউডের মসজিদে হামলা চালায়। স্ট্রিকল্যান্ড স্ট্রিটে একটি গাড়িবোমা হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

হাসপাতালের বাইরে আরও একজন বন্দুকধারীকে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি মেইল জানায়, হামলায় অংশগ্রহণকারী এক বন্দুকধারীর পরিচয় পাওয়া গেছে। টুইটারে ওই হামলাকারী নিজের পরিচয় দিয়েছে ব্রেনটন ট্যারেন্ট নামে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের গ্রাফটন থেকে এসেছেন বলে জানা গেছে।

ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে ঢুকে গুলি করার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হামলার ঘটনা সরাসরি সম্প্রচারও করে এই শ্বেতাঙ্গ যুবক। ভিডিও গেমস খেলার মতো মুসল্লিদের গুলি করে হত্যা সে।

আল নুর মসজিদের সামনে রাস্তায় গাড়ি রাখে হামলাকারী। মালবাহী গাড়ির সামনের সিটে এবং পেছনের বুটে অস্ত্র ও গোলাবারুদে ভর্তি ছিল। গাড়ি থেকে থেকে নেমে ওই হামলাকারী নিজেকে অস্ত্র সজ্জিত করে। আধা স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ও বিস্ফোরক সহকারে হেঁটে মসজিদে প্রবেশ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, একটি আধা স্বয়ংক্রিয় শটগান ও রাইফেল দিয়ে সাউথ আইল্যান্ডে আল নুর মসজিদে অন্তত ৫০টি গুলি ছোড়েন ব্রেনটন।

শুক্রবার জুমার নামাজ চলার সময় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত এক নারীসহ চার ব্যক্তিকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে।

আটকের সময় তাদের একজন সুইসাইড ভেস্ট পরা অবস্থায় ছিলেন।

ডেইলি মেইল বলছে, হত্যাকাণ্ড ঘটনার আগে টুইটারে ৮৭ পাতার ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছেন হামলাকারী। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী হামলার আভাস দিয়েছিলেন তিনি। তবে নিউ জিল্যান্ড হেরাল্ড জানায়, লিখিত ঘোষণাপত্রটি ছিল ৩৭ পৃষ্ঠার।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here