নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন বলেছেন, গত শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে যে সন্ত্রাসী হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তার বিরুদ্ধে পরিপূর্ণভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সমবেদনামূলক ভাষণ দেয়ার সময় জেসিন্ডা বলেন, তিনি কখনো অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ২৮ বছর বয়সী ওই সন্ত্রাসীর নাম মুখে উচ্চারণ করবেন না। তিনি বলেন, “হত্যাকাণ্ডের ভেতর দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার এ হামলাকারী অনেক কিছু অর্জন করতে চেয়েছে তার মধ্যে একটি হলো কুখ্যাতি। সে কারণে আপনারা কখনো তার নাম আমার মুখে শুনবেন না। সে একজন সন্ত্রাসী। সে একজন ক্রিমিনাল, সে একজন চরমপন্থি। যখন আমি বক্তৃতা দেব তখন তার নাম নেব না।”

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে বক্তৃতা শুরু করেন।  এর মাধ্যমে তিনি মুসলমানদের জন্য শান্তির বার্তা পাঠান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা তার দেশের জনগণকেও ওই সন্ত্রাসীর নাম মুখে না নেয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসের মাধ্যমে  সে কুখ্যাতি অর্জন করতে চেয়েছে। সে জন্য তার নাম না নিয়ে বরং যারা নিহত হয়েছেন তাদের নাম উচ্চারণ করুন। শুক্রবার ব্রেন্টন টেরেন্ট নামে যে সন্ত্রাসী ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে গুলি চালিয়ে অন্তত ৫০ জন মুসল্লিকে হত্যা করেছে তার কাছে মোট পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। এসব অস্ত্রের কোনো কোনোটি সে অনলাইনে কিনেছিল। এ ঘটনার পর দেশের অস্ত্র আইনও বদলানোর পদক্ষেপ নিয়েছে নিউজিল্যান্ড সরকার।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here