সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী নিহতের জের ধরে বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো রাস্তায় নেমেছে শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর প্রগতি সরণি এলাকায় শিক্ষার্থীরা রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করছেন।

এ এলাকাতেই মঙ্গলবার সকালে ‘সুপ্রভাত পরিবহনের’ একটি বাসের ধাক্কায় নিহত হন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার বসুন্ধরা এলাকার বাসিন্দা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আরিফ আহমেদ চৌধুরীর ছেলে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনায় দায়ী বাস চালকের সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি মঙ্গলবার আট দফা দাবি জানিয়েছেন।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়মিতভাবে পরীক্ষা, পরিবহন খাতকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করা, ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তায় পদচারী সেতু ও স্পিড ব্রেকার নির্মাণ এবং অনুপযোগী যানবাহন চলাচল বন্ধ করা।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়া শিক্ষার্থীরা বুধবার সকালেও- ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস, জাস্টিস ফর আবরার, আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না- এরকম নানা স্লোগানে নিরাপদ সড়কের দাবি জানাচ্ছেন।

সড়কে গণপরিবহনের সংখ্যা অত্যন্ত কম থাকায় বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো গণপরিবহনের দেখা মিলছে না। ফলে অফিসযাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংক-বীমায় কর্মরত হাজার হাজার মানুষকে অফিসে যাওয়ার জন্য সিএনজি ও ট্যাক্সির মতো ব্যয়বহুল পরিবহন কিংবা অন্য কোনো উপায়ের আশ্রয় নিতে হচ্ছে। দুয়েকটি বাস চললেও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সেগুলোতে উঠতে পারছেন না।

চাহিদার তুলনায় সিএনজি অটোরিকশা ও ট্যাক্সির মতো যানবাহন কম থাকায় বেশি ভাড়া দাবি করা হচ্ছে। তারপরও অফিস ও গন্তব্যে পৌঁছাতে রাজি হচ্ছেন নগরবাসীরা। কিন্তু যাত্রীর চেয়ে যানবাহন কম হওয়ায় সেগুলোতেও জায়গা হচ্ছে না অনেকের।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here