ভেনিজুয়েলার জনগণের জন্য ত্রাণবাহী রাশিয়ার বিমানবাহিনীর দু’টি বিমান কারাকাস বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুই বিমানে ৩৫ হাজার টন জরুরি সাহায্য ছাড়াও একজন কমান্ডারের নেতৃত্বে ১০০ সৈন্য পাঠিয়েছে রাশিয়া।

ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের সাইমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশটির পদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা রাশিয়ার ত্রাণবহরকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে এই ত্রাণবহরে কি কি দ্রব্য রয়েছে কিংবা এই বহরে কেন সেনাসদস্য পাঠানো হয়েছে সে সম্পর্কে ভেনিজুয়েলার গণমাধ্যমের খবরে কোনো ইঙ্গিত দেয়া হয়নি।

তবে এর আগে রাশিয়া ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করে দেশটিতে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে দিয়েছিল।

ল্যাতিন আমেরিকার এই দেশটির প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা হুয়ান গুয়াইদো সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর আর কোনো পৃষ্ঠপোষক নেই। তার ওই বক্তব্যের পর রাশিয়া ভেনিজুয়েলায় সেনাসদস্যসহ দু’টি বিমান পাঠাল।

গুয়াইদো গত ২৩ জানুয়ারি আমেরিকার প্রকাশ্য সমর্থন নিয়ে নিজেকে ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দাবি করেন। প্রেসিডেন্ট মাদুরো এ ঘটনাকে তার সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় মার্কিন উসকানি বলে অভিহিত করেছেন। গত দুই মাসে ভেনিজুয়েলার সরকার পরিবর্তনের জন্য আমেরিকা ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে এসেছে।

আমেরিকা ছাড়াও বহু পশ্চিমা দেশ ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতার প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়া, ইরান ও চীনসহ আরো অনেক দেশ ভেনিজুয়েলার জননির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ঘোষণা করেছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে আমেরিকাকে সতর্ক করে দিয়েছে রাশিয়া।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here