ভেনিজুয়েলায় রুশ সেনা এবং দু’টি বিমান দেশটির সংবিধান মেনে এবং বৈধ ভাবে পাঠানো হয়েছে। এ কথা বলেছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভ। ভেনিজুয়েলায় রাশিয়া নাক গলাচ্ছে বলে কোনো কোনো খবরে যে দাবি করা হয়েছে সে সম্পর্কে মন্তব্য করার জন্য সংবাদ মাধ্যমের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা বলেন তিনি।

গত শনিবার দেশটিতে রুশ মালামালসহ প্রায় একশ সেনা, আইএল-৬২ এবং  এএন-১২৪ বিমান পাঠিয়েছে রাশিয়া। এ দুই বিমান প্রায় ৩৫টন মালামাল বহন নিয়ে গেছে।

২০০১ সালে কারাকাস এবং মস্কোর মধ্যে সই করা সামরিক-কারিগরি সহযোগিতা চুক্তির আওতায় এ সব রুশ সেনা এবং মালামাল ভেনিজুয়েলায় পাঠানো হয়েছে বলে জানান মারিয়া। দেশটিতে রুশ সেনা পাঠানোর জন্য নতুন করে কোনো অনুমোদন নেয়ার দরকারও নেই।

এর কারণ ব্যাখ্যা করতে যেয়ে মারিয়া বলেন, চুক্তিটি রাশিয়া এবং ভেনিজুয়েলা উভয়পক্ষ এর আগে অনুমোদন করেছে কাজেই এ নিয়ে ভেনিজুয়েলার জাতীয় সংসদের নতুন করে অনুমোদন নেয়ার কোনো প্রয়োজনীয়তাই নেই।

ভেনিজুয়েলার প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা হুয়ান গুয়াইদো গত ২৩ জানুয়ারি আমেরিকার প্রকাশ্য সমর্থন নিয়ে নিজেকে ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দাবি করেন। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এ ঘটনাকে তার সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় মার্কিন উসকানি বলে অভিহিত করেছেন। গত দুই মাসে ভেনিজুয়েলার সরকার পরিবর্তনের জন্য আমেরিকা ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ প্রেক্ষাপটে রাশিয়া মাদুরোর সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করে দেশটিতে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে দেয়। এ ছাড়া, দেশটিতে সেনা এবং মালামাল পাঠায় রাশিয়া।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here