চাপের মুখে নিজেদের প্ল্যাটফর্মে ‘শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ’ নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক। বুধবার (২৭ মার্চ) এক ব্লগ পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় ফেসবুক।

পোস্টে বলা হয়, শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা শ্বেতাঙ্গ বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রশংসা, সমর্থন এবং এর প্রতিনিধিত্ব করাকে ফেসবুকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে ফেসবুক ও ইনস্টগ্রামে আর এ ধরনের কোনো কন্টেন্ট ছড়ানোর সুযোগ থাকবে না।

এক বিবৃতিতে ফেসবুক জানায়, শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠীর মানুষ তাদের জাতিগত বা নৃতাত্ত্বিক ঐতিহ্য ফেসবুকে পোস্ট করতে পারবেন। তবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা শ্বেতাঙ্গ বিচ্ছিন্নতাবাদের পক্ষে কোনও পোস্ট বরদাশত করা হবে না।

বিদ্বেষমূলক উপাদান হিসেবে আগে থেকেই প্ল্যাটফর্মটিতে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ নিষিদ্ধ। তবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ বা শ্বেতাঙ্গ বিচ্ছিন্নতাবাদকে এতোদিন ধরে সুস্পষ্ট বর্ণবাদ হিসেবে বিবেচনা করা হতো না। তবে এখন নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এগুলোও নিষিদ্ধের তালিকায় পড়বে।

২০১৯ সালের ১৫ মার্চ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে গুলি চালিয়ে ৫০ মুসল্লিকে হত্যা করে উগ্র মুসলিমবিদ্বেষী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারান্ট। ফেসবুকে ওই হত্যাযজ্ঞ লাইভ করে এই শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী খুনি। নিজের ফেসবুক একাউন্ট থেকে সে ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে হামলার ১৭ মিনিট লাইভস্ট্রিমিং হাজির করেছে বিশ্ববাসীর সামনে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী ওই হামলার উদ্দেশ্যই ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার লাইভ সম্প্রচার।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here