এমন পরাজয়ও কি কেউ বরণ করে? মনে হয় পাকিস্তান বলেই তা সম্ভব! অসম্ভব জয় যেমন তারা পেতে পারে, আবার হাতের মুঠো থেকেও সাফল্য তাদের ছুটে যেতে পারে।

২৭৮ রানের লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের, অভিষিক্ত আবিদ আলির পর সেঞ্চুরি করলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। শেষ ৫৪ বলে প্রয়োজন ছিল ৬০ রান, বাকি ছিল ৮ উইকেট। এরপরও ম্যাচ হারার প্রায় অসম্ভব কাজটা সম্ভব করে তুলল পাকিস্তান।

আবিদের উইকেটেই বদলে গেল চিত্রটা, এ ম্যাচটাই অস্ট্রেলিয়া জিতল ৬ রানে, সিরিজের ব্যবধান করে ফেললো ৪-০। ইতিহাসে মাত্র ৪র্থ দল হিসেবে রান তাড়ায় দুই সেঞ্চুরির পরও ম্যাচ হারলো পাকিস্তান, এর চেয়ে কম রানের লক্ষ্যে দুই সেঞ্চুরির পরও হারের রেকর্ড আছে শুধু জিম্বাবুয়ের।

পাকিস্তানের মোট রানের মধ্যে ২১৬ রান আবিদ-রিজওয়ানেরই। বাকি ব্যাটসম্যান ও অতিরিক্ত মিলে রান মাত্র ৫৫! অন্যদের মধ্যে হারিস সোহেল (২৫) ছাড়া দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি কেউই।

সর্বোচ্চ ১১২ রান করেন আবিদ। তার ১১৯ বলের ইনিংসটিতে রয়েছে নয়টি চারের মার। দাপুটে ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া রিজওয়ান উইকেট ছাড়া হন ১০৪ রান করে। তার ১০২ বলের ইনিংসটিতে রয়েছে নয়টি চার, একটি ছক্কা।

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে ৫৩ রানে ৩ উইকেট নেন নাথান কোল্টার-নাইল নিয়েছেন। দুই উইকেট মার্কাস স্টয়নিসের।

এর আগে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৭৭ রান করে টসে হারা অস্ট্রেলিয়া। দুই রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন ছয় নম্বরে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৮২ বলে খেলা তার ৯৮ রানের ইনিংসটি নয় চার ও তিন ছক্কায় সাজানো।

অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন ওপেনার উসমান খাওয়াজা (৬২) ও সাত নম্বরে নামা অ্যালেক্স কারেই (৫৫)। ৩৯ রান ওপেনার ও অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের।

পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ হাসনাইন, ইমাদ ওয়াসিম ও ইয়াসির শাহ।

দারুণ ব্যাটিংয়ে ব্যাট সেরার পুরস্কার জিতেন ম্যাক্সওয়েল।

এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচ রোববার একই ভেন্যুতে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here