অনেক দিন কোনও বড় টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতা হয়নি। বঙ্গবন্ধু কাপ ওপেন গলফের দিকে তাই সাগ্রহে তাকিয়েছিলেন সিদ্দিকুর রহমান। তবে দেশসেরা গলফারের আশা পূরণ হয়নি। দ্বাদশ স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে তাকে। বাংলাদেশের আরেক প্রতিযোগী জামাল মোল্লার অবস্থান দশম। সাড়ে তিন লাখ ডলারের এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জিতেছেন থাইল্যান্ডের সাদোম কায়েওকানজানা।

কুর্মিটোলা গলফ কোর্স তার হাতের তালুর মতো চেনা। কিন্তু চিরচেনা মাঠে আবারও হতাশাজনক পারফরম্যান্স সিদ্দিকুরের। শনিবার শেষ রাউন্ডে দুটি বার্ডি (পারের চেয়ে এক শট কম) করলেও পাঁচটি বোগি (পারের চেয়ে এক শট বেশি) করেই পিছিয়ে পড়েন তিনি। সেজন্য ভীষণ হতাশ দুটি এশিয়ান ট্যুর বিজয়ী। সব মিলিয়ে পারের চেয়ে ৮ শট কম খেলা সিদ্দিকুর সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘অবশ্যই আমি হতাশ। নিজেকে আনলাকিও বলবো। আজ ভালোই শুরু করেছিলাম। কিন্তু তারপর কয়েকটা বোগি করলাম, আর লড়াই থেকে পিছিয়ে পড়লাম।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘দেশের মানুষের আশা পূরণ করতে পারিনি বলে আমি দুঃখিত। আমার চেষ্টার কোনও ত্রুটি ছিল না। প্রথম তিন রাউন্ড তো ভালোই খেলেছিলাম। আশা করেছিলাম শেষ রাউন্ডও ভালো হবে। কিন্তু সেটা হয়নি। কী আর করা, এটাই আমার নিয়তি!’

চ্যাম্পিয়ন সাদোম কায়েওকানজানার প্রশংসা করে সিদ্দিকুর বলেছেন, ‘অ্যামেচার গলফার হিসেবে সাদোমের রেকর্ড ভালো। সে খুব ভালো খেলেছে। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবেই তার হাতে ট্রফি উঠেছে। তার প্রতি আমার অভিনন্দন রইলো।’

গত মাসে কলকাতা ওপেনের শিরোপা জিতেছিলেন জামাল। আশা করেছিলেন, ঘরের মাঠে বঙ্গবন্ধু কাপের শিরোপাও তার হাতে উঠবে। কিন্তু প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির বিস্তর ব্যবধানে তিনি হতাশ, ‘প্রথম ও তৃতীয় রাউন্ডে খারাপ খেলে শিরোপা লড়াই থেকে পিছিয়ে পড়েছি। এই ফলে আমি সন্তুষ্ট নই। নিজের মাটিতে তো সবাই জিততে চায়। বিদেশিরা আমাদের দেশে এসে ট্রফি নিয়ে যায়। এটা দেখতে ভালো লাগে না।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here