প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করে নদী দূষণ প্রতিরোধে এগিয়ে আনার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। কারণ পানিদূষণ দেশের গুরুতর সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি সকলকে বলছি, নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হবে; বিশেষ করে মিল ও কারখানাকে। প্রতিটি শিল্প কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি থাকতে হবে, যাতে এটি নদীকে দূষিত না করে। সমুদ্র ও নদী দূষণ একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিশ্ব পানি দিবস ২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন সমস্যা মোকাবিলা ও নদীর পানি প্রবাহ বজায় রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাদের নদীগুলোর পানি প্রবাহ বজায় রাখার জন্য এবং তাদের পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত নদীগুলোর ড্রেজিং করা জরুরি এবং এভাবে সমস্যাটিকে (নদী ভাঙন) আশীর্বাদে পরিণত করা যাবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘বর্তমানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২২টি, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৪৪টি ড্রেজার রয়েছে। আরও ৮০টি ড্রেজার কেনা হচ্ছে।’
‘আমি মনে করি প্রতিটি বড় নদী ও নদীবন্দরের জন্য একটি ড্রেজার থাকা দরকার,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র সেন ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পানি সম্পদ সচিব কবির বিন আনোয়ার।

এ বছর পানি দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘পানি সবার অধিকার, বাদ যাবে না কেউ আর’, যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) মূল বিষয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here