২৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর মহেন্দ্র সিং ধোনি ও আম্বাতি রাইডুর দারুণ জুটি। এরপরও হারতে বসা চেন্নাই সুপার কিংস শেষ বলের ছয়ে নাটকীয় জয় পেলো রাজস্থান রয়্যালসের মাঠে।

শেষে ৬ বলে ১৮ রান থেকে ৩ বলে আট রানে এসে দাঁড়ায় চেন্নাইয়ের লক্ষ্য। সেটা একটা সময় ১ বলে ৪ রান হয়। শেষ বল স্টোকস ওয়াইড করলে এক বলে তিন রানে এসে দাঁড়ায়। পরে সাঁতনার ছক্কা হাঁকিয়ে ৪ উইকেটে জয় এনে দেন চেন্নাইকে।

ম্যাচে ৪৩ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে জয়ের ভিত গড়ে দেন ধোনি৷ অধিনায়ক হিসেবে এটি ধোনির একশোতম আইপিএল ম্যাচ জয়৷

রাজস্থানের ছুঁড়ে দেওয়া ১৫১ রানে টার্গেট তাডা় করতে নেমে শেষ ওভারে চেন্নাইয়দের দরকার ছিল ১৮ রান৷ স্টোকসের ফাইনাল ওভারে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে খুনখারাপি ঢঙে শুরু করেন জাড্ডু৷ মাটিতে পড়ে গিয়ে প্রায় এক হাতেই স্টোকসকে মাঠের বাইরে পাঠান জাদেজা৷

স্টোকস পরের বল নো করলে দু’রান তুলে ফিল্ডিং দলের উপর চাপ বাড়য় ধোনিরা৷

তৃতীয় বলে ধোনি দু’রান নিলে, শেষ চার বলে প্রয়োজনীয় রান দাঁড়ায় ৮৷

পরের বলেই পারফেক্ট ইয়র্কারে ধোনির উইকেট মাটিতে শুইয়ে দিয়ে রাজস্থানকে ম্যাচে ফিরিয়ে লড়াই জমিয়ে দেন স্টোকস৷ শেষ তিন বলে চেন্নাইয়ের টার্গেট তখন ৮রান! এরপরই থ্রিলার ম্যাচে নাটকীয় নো বল৷

উচ্চতার কারণে বোলিং এন্ডের আম্পায়ার নো বল ডাকলেও সাইড আম্পয়ার নো কল না করায় বিতর্ক শুরু হয়৷ নো-বল নিয়ে দুই আম্পায়ারের বিতর্কের মাঝে মাঠে নেমে পড়েন ধোনি৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেই ডেলিভারিটি কাউন্ট করা হলে, শেষ দুই বলে চেন্নাইয়ে টার্গেট কমে দাঁড়ায় ৬ রান৷ বিতর্কিত বলটিতে অবশ্য চেন্নাইয়ের ব্যাটসম্যানরা দৌড়ে দু’রান নিয়ে নেন৷

পঞ্চম বলে দু’রান নিলে শেষ বলে প্রয়োজন হয় চার রান৷

এরপরই চাপ সামলাতে না পেরে হোয়াইড করে এক রান খরচ করেন স্টোকস৷ আর স্টোকসের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে চেন্নাইকে ম্যাচ জিতিয়ে দেন স্যান্টনার৷

৩ বলে ১০ রান করে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন কিউয়ি স্পিনার স্যান্টনার৷ এর আগে অবশ্য চেন্নাইকে খাদের কিনারা থেকে তুলে মজবুত জায়গায় পৌঁছে দেন কাপ্তান ধোনি৷ ১৫১ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজস্থান পেসারদের সামনে ২৪ রানে প্রথম চার উইকেট উপহার দিয়ে আসে চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার৷ ওয়াটসন ০, ডুপ্লেসিস ৭ ও রায়না ৪-কেদার ১ রানে ফেরেন৷ সেখান থেকে রায়ডুকে সঙ্গী করে ৯৫ রানের পার্টনারশিপে জয়ের রাস্তা গড়েন ধোনি৷

চাপের দিনে ৪৭ বলে ৫৭ রানের দামি ইনিংস খেলেন বিশ্বকাপে চার নম্বরের লড়াইয়ে থাকা রায়ডু আর ধোনির সংগ্রহ ৪৩ বলে ৪৮, জাদেজা ৪ বলে ৯ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন৷

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here