ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন মামলার অন্যতম আসামি নুর উদ্দিন ও শাহদাত হোসেন শামীম।

রোববার রাতে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম জাকির হোসাইনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তারা এ দায় স্বীকার করেন বলে জানা গেছে।

রোববার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম জাকির হোসাইনের আদালতে জবানবন্দি দিতে যান নুর উদ্দিন ও শাহদাত হোসেন শামীম। রাত একটার পর তাদের জবানবন্দি দেয়া শেষ হয়।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন) তাহেরুল হক চৌহান রাত ১টার দিকে সাংবাদিকদের জানান, পিবিআই এ মামলার দায়িত্ব পাওয়ার চার দিনের মধ্যে ঘটনার মূল নায়কদের আইনের আওতায় এনেছে। তারা আদালতে স্বীকারুক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

তিনি বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বলা যাবে না। আসামিরা অপরাধ স্বীকার করেছেন। তারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তারা জেলখানা (সিরাজ উদ দৌলা) থেকে হুকুম পেয়েছেন।

রাফি হত্যা মামলার এজাহারেভুক্ত নুর উদ্দিন দুই নম্বর ও শাহদাত হোসেন শামীম চার নম্বর আসামি। তারা দু’জনই সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তাদের দু’জনকে পিবিআই গত ১২ এপ্রিল ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

প্রসঙ্গত, নুসরাত জাহান রাফির গায়ে অগ্নিসংযোগ করে হত্যার ঘটনার সঙ্গে ১৩ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। এরমধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত সাতজন এবং সন্দেহভাজন হিসেবে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নুসরাতের গায়ে সরাসরি আগুন দেয় যে চারজন তার মধ্যে এক নারীসহ দুইজনকে চিহ্নিত করা গেছে। এই দুইজনের একজন শাহদাত হোসেন শামীম।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here