অবশেষে চেলসি জুজু কাটাল লিভারপুল। সাদিও মানে ও মোহামেদ সালাহর নৈপুণ্যে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে চেলসিকে এক রকম উড়িয়ে দিয়েছে দলটি।

রোববার নিজেদের মাঠ অ্যানফিল্ডে চেলসিকে ২-০ গোলে হারায় লিভারপুল। এই জয়ে ম্যানসিটিকে দুইয়ে ঠেলে ফের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ওঠে গেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।

এদিন চেলসি মুখোমুখি হওয়ার আগে অতীত অনেক রেকর্ড ছিল লিভারপুলের বিপক্ষে। নিজেদের মাঠ অ্যানফিল্ডে চেলসির বিপক্ষে টানা ৬ ম্যাচে জয় বঞ্চিত ছিল লিভারপুল (৪টি ড্র, ২টি হার)। ২০১২ সালের পর অ্যানফিল্ডে কখনোই হারেনি চেলসি।

ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে শিরোপার জন্য যখন সেয়ানে সেয়ানে লড়াই চলছে, তখন ম্যাচটি ড্র হলেও লিভারপুলের জন্য সেটি হতো আত্মঘাতী। ২০১৩-১৪ মৌসুমে এমনই এক পরিস্থিতিতে চেলসির বিপক্ষে হেরেছিল লিভারপুর। আর ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে জয় নিয়ে ফিরে শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে যায় ম্যানসিটি।

কাকতালীয় ভাবে এদিনও ম্যানসিটি মুখোমুখি হয় ক্রিস্টাল প্যালেসের এবং জয় তুলে নেয়। যে জয়ে শীর্ষেও ওঠে যায় সিটি। লিভারপুলের জন্য তাই এ ম্যাচে জয় বা ড্র ছিল অপরিহার্য। শেষ পর্যন্ত চেলসি ‘জুজু’ তারা দূর করতে পেরেছে।

দুই দলের প্রথমার্ধ অবশ্য ছিল গোলশূন্য। ৫১ মিনিটে সাদিও মানে গোল করে লিড এনে দেন দলকে। এ মৌসুমে লিভারপুলের জার্সিতে যা তার ২১তম গোল।

এর দুই মিনিট পরই ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক গোলে ব্যবধান ২-০ করেন লিভারপুলের মিসরীয় ফরোয়ার্ড সালাহ। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে সর্বশেষ ডি-বক্সের বাইরে থেকে গোল করেছিলেন সালাহ। এ গোলটি নিয়ে এ মৌসুমে ১৯ গোল হলো সালাহর। যা সের্হিও আগুয়েরোর সমান।

এ নিয়ে ২০১৩-১৪ মৌসুমের পর এই প্রথম এক মৌসুমে ২৬টি লিগ ম্যাচ জিতল লিভারপুল। ১৯৭৮-৭৯ সালে এর চেয়ে বেশি ম্যাচ (৩০) জিতেছিল দলটি।

৩৪ ম্যাচে ২৬ জয়, ৭ ড্র ও ১ হারে মোট ৮৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে লিভারপুল। আর এক ম্যাচ কম খেলে ৮৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ম্যানসিটি। ৩৪ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে চেলসি আছে চতুর্থ স্থানে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here