আফগানিস্তানে শান্তি ফেরানোর আলোচনায় প্রথমবারের মতো নারীদের যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তালেবান। চলতি সপ্তাহে কাতারে এই আলোচনা হওয়ার কথা।

বিশ্বজুড়ে ‘কুখ্যাত’ বলে পরিচিতি পাওয়া এই সংগঠনটি নারীদের বিষয়ে কট্টর। সেই তাদের পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্ত আসার খবর আন্তর্জাতিক মহলের কাছে বেশ বিস্ময়কর।

তালেবান কর্মীরা বলছেন, ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তাদের প্রতিনিধি দলে নারী সদস্য যুক্ত করা হয়েছে।

১৯-২১ এপ্রিল দোহায় এই আলোচনা সভায় থাকবেন আফগানিস্তানের বিশিষ্টজনেরা। পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজকর্মী এবং রাজনীতিবিদরাও উপস্থিত থাকবেন। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে মস্কোয় একই ধরনের আরেকটি আলোচনা হয়।

তালেবানের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ নারী সদস্য যুক্ত করার বিষয়টি রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন। টেলিফোনে তিনি বলেন, ‘দোহায় তালেবানের প্রতিনিধি দলে আমরা নারী সদস্য রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাকে রাখা হচ্ছে তিনি কোনো তালেবান কর্মকর্তার পরিবারের লোক নন। একজন সাধারণ আফগান, যিনি তালেবানকে সমর্থন করেন এবং ইসলামি শাসন ব্যবস্থার পক্ষে।’

ওই নারীর আর কোনো পরিচয় দেননি জাবিহুল্লাহ।

আফগানিস্তানের ১৪টি জেলা বা পুরো দেশের প্রায় চার শতাংশ তালেবানের নিয়ন্ত্রণে। আরও শতাধিক জেলায় তাদের সক্রিয় উপস্থিতি আছে।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হামলার মুখে তালেবানের পতন হলেও তারা নিশ্চিহ্ন হয়নি। বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান ঘটেছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here