এখনও বিশ্বকাপের মঞ্চে একবারও ভারতকে হারাতে পারেনি পাকিস্তান। তবে এবার ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রতিবেশি দেশকে হারিয়ে সে অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে চায় মিকি আর্থারের শিষ্যরা। এজন্য বেশ আগেই বিরাট কোহলির দলকে একরকম হুঁশিয়ারিই দিয়ে রাখলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ।

আগামী ৩০ মে ইংল্যান্ডে পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসরের। আর ১৬ জুন ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ক্রিকেট প্রেমিরা দেখবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান লড়াই। ইতিমধ্যে ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। সেই মহারণের আগেই টিম ইন্ডিয়াকে হুঁশিয়ারি দিলেন সরফরাজ, ‘অধিনায়ক হিসেবে সব ম্যাচই আমার কাছে সমান। শুধু ভারত কেন, সব দলের বিপক্ষে ম্যাচ জেতাই আমাদের লক্ষ্য। তবে ভারতের বিপক্ষে জিততে চায় আমাদের সবাই। এককথায়, আমরা সব ম্যাচই তাদের বিপক্ষে খেলছি ভেবে মাঠে নামব।’

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের দেখা হয়েছে ৬ বার। কিন্তু একবারও জয়ের মুখ দেখনি দলটি। তবে এবার এ চিত্র পাল্টাতে সরফরাজকে সহস দিচ্ছে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনাল ম্যাচ। ঐদিন ইংল্যান্ডের মাঠেই ভারতে হারিয়ে প্রথমবার এ ট্রফি জিতেছিল পাকরা। আসছে বিশ্বকাপে ঠিক তেমন কিছুই করে দেখাতে প্রস্তুত সরফরাজের দল, ‘এটা ঠিক, ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রতিবেশী দলটির কাছে প্রত্যেকবারই হেরেছি আমরা। তবে মাথায় রাখতে হবে, ২০১৭ সালে এই ইংল্যান্ডেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে তাদের ১৮০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এবার সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে আমাদের দল।’

আসন্ন ক্রিকেটের বৈশ্বিক আসরে ফেভারিটের তালিকায় নেই পাকিস্তান। তবে তা নিয়ে কোনো সমস্যা দেখছেন না সরফরাজ, ‘বিশ্বকাপে ফেভারিটের তকমা গায়ে সেঁটে খেলতে না যাওয়াটাই ভালো। এতে চাপমুক্ত হয়ে খেলা যায়। আশা করি, আমাদের তরুণ ক্রিকেটারেরা দুর্দান্ত কিছু করে দেখাবে।’

৩১ মে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে দ্বাদশ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের পথচলা। তার আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে একটি টি-টোয়েন্টি ও পাঁচটি ওয়ানডে খেলবেন সরফরাজ আহমেদরা।

এবারের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে কেউ খুব একটা গোনার মধ্যে রাখতে চাইছে না। ব্যাপারটি নিয়ে অবশ্য তেমন মাথা ব্যথা নেই সরফরাজের, ‘বিশ্বকাপে যখনই আমরা ফেভারিট হিসেবে খেলতে গিয়েছি তখনই সমস্যা হয়েছে। আবার যখন আমরা ডার্কহর্স বা আন্ডারডগ হিসেবে খেলতে গিয়েছি তখন আমরা দারুণ কিছু করে দেখিয়েছি। আমাদের সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে প্রতিপক্ষের।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here