বর্তমান প্রজন্মের বেশির ভাগ ছেলেমেয়েই এই সবজিটি খুব একটা ভালবেসে খায় না। কেবল ছোটরাই নয়, এমনকি বয়স্করাও যে খুব পছন্দ করেন তাও নয়। কিন্তু অপ্রিয় এই সবজিটি নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার ডায়াবেটিস সহনীয় মাত্রায় রাখতে পারবেন।

ডায়াবিটিসের মোক্ষম দাওয়াই হিসেবে করলার কথা বলছেন আধুনিক চিকিৎসকরা। কিন্তু কেন? গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করলায় প্রধানত তিনটি উপাদান রয়েছে। যথা, পলিপেপটাই়ড পি, ভাইসিন, চ্যারনটিন।

এই তিনটি উপাদান রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে পলিপেপটাইড পি-এর ভূমিকা অনেকটা ইনসুলিনের মতো।

কিন্তু কতটা খাব?  কী ভাবেই বা খাব? জার্নাল অফ এথনোফার্মোকলজিতে একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ, চার সপ্তাহ পরীক্ষার পরে একদল চিকিৎসক জানিয়েছেন, প্রতিদিন ২ গ্রাম করে করলা ডায়েটে রাখলে টাইপ ২ ডায়াবিটিস রোগীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন সকালেই খালি পেটে এক কাপ করলার জুস খেয়ে নেওয়ার। ডায়াবিটিস-সহ আরও বেশ কিছু  রোগের যম করলা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুধু শর্করা নিয়ন্ত্রণই নয়, করলা আরও নানা গুণের অধিকারী। জ্বর, ঋতুকালীন যন্ত্রণা, সর্দি-কাশির সমস্যাতেও কাজ দেয় এই করলা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখাচ্ছেন করলার রস ব্রেস্ট ক্যানসারের কোষকে ধ্বংস করতে সক্ষম।

তাই স্বাদের কথা না ভেবে, শরীরের কথা ভেবে ডায়েটে করলা যোগ করা আপনার জন্য মঙ্গলজনক। তবে পরিমিত পরিমাণে তা খেতে হবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here