ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র কারণে তিন দিন বন্ধ থাকার পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে নৌ চলাচল শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল থেকেই এ দুই রুটে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এর আগে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি ও লঞ্চ সার্ভিস বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে টানা ৬৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর লঞ্চ এবং ৩৩ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। রোববার সকাল ৬টা থেকে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের মাঝেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক রুহুল আমিন বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে ঝড়ো বাতাস ও নদীতে ঢেউয়ের সৃষ্টি হওয়ায় ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফলে গত ৩ মে (শুক্রবার) দুপুর ২টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

তবে ঝড়ের প্রভাব কিছুটা কমে আসলে পরীক্ষামূলকভাবে দুই দফা ছোট আকারের ফেরি চলানো হয়। ঘূর্ণিঝড় চলে যাওয়ার পর আবহাওয়া পরিস্থিতি ভালো হওয়ায় শনিবার মধ্যরাত থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে সব ধরনের ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয় বলেও জানান রুহুল আমিন।

এদিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে নৌরুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত পাঁচটি ফেরি চলাচল করে। এর পর শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সব ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। সকাল থেকে এ রুটে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ী লঞ্চ ঘাটের টার্মিনাল পরিদর্শক আক্তার হোসেন জানান, সকাল থেকেই আবহাওয়া ভালো থাকায় লঞ্চ, স্পিডবোট চলাচল শুরু করেছে। লঞ্চ ঘাটে যাত্রীদের বেশ ভিড় দেখা যাচ্ছে।

ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিয়া জানান, ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে দীর্ঘসময় ফেরি বন্ধ থাকায় ঘাটে পরিবহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here