কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে ৩৫ জেলার প্রায় ৬৩ হাজার ৬৩ হেক্টর জমির ফসল আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ফসলের মধ্যে ধান, ভুট্টা, সবজি, পাট ও পান রয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ফণির প্রভাবে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্য ৩৮ কোটি ৫৪ লাখ দুই হাজার ৫০০ টাকা।

অপরদিকে, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ফনীর প্রভাবে প্রায় ২২ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গবাদি পশু মারা গেছে ১৭৫টি। প্লাবিত গ্রামের মোট সংথ্যা ৫৯টি, এর মধ্যে কক্সবাজারের ২৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় দুর্গত এলাকায় চার হাজার ৭১টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১৬ লাখ ৬৬ হাজার ৪৩ জন আশ্রয় নিয়েছিলেন।

ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে গত ৪ মে সকালে কিছুটা দুর্বল অবস্থায় খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ঢাকা-ফরিদপুর অঞ্চল পেরিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ এটি লঘুচাপে পরিণত হয়।

ফণী ধেয়ে আসার প্রেক্ষিতে গত ২ মে সকাল থেকে পায়রা ও মংলা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর ও চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here