মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও গতকাল (মঙ্গলবার) আকস্মিক সফরে ইরাকে পৌঁছেছেন। এ সফরেও তিনি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন।

গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া মার্কিন এ যুদ্ধবাজ মন্ত্রী ইরাকের সঙ্গে জ্বালানি বিষয়ক একটি বড় চুক্তির বিষয়ে ইরাকি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। পম্পেওর ভাষায় এ চুক্তি ইরাককে ইরানি জ্বালানি নির্ভরতা থেকে মুক্ত করবে। তবে ইরাককে কোন দেশথেকে কী ধরনের জ্বালানি সরবরাহ করা হবে তা তিনি পরিষ্কার করেন নি।

পম্পেও দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরাকের প্রতি বিশেষভাবে  যত্নশীল। ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদিল আবদুল মাহদির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে পম্পেও সাংবাদিকদের বলেন, “আমি বাগদাদের নেতাদেরকে আশ্বস্ত করতে যাচ্ছি যে, ইরাক একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ -আমরা তা অব্যাহতভাবে নিশ্চিত করব।” ইরাকে মোতায়েন মার্কিন সেনারা ইরাকি সেনাদেরকে প্রশিক্ষণ এবং পেশাদারিত্বের শিক্ষাসহ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সমর্থন দেয়া অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পারস্য উপসাগরে আমেরিকা নতুন করে বিমানবাহী রণতরী ও বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েন করার পর পম্পেও ইরাক সফর করছেন। ইরানি হুমকি মোকবেলার লক্ষ্য নিয়ে বিমানবাহী রণতরী ও বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়েছে বলে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন হুমকি দিয়েছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here