উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা লন্ডনে কারাবন্দী জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে দেখা করলেন পামেলা অ্যান্ডারসন। এই নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মঙ্গলবার আবেগী হয়ে পড়েন সাবেক ‘বেওয়াচ’ তারকা ও বর্তমানের পশু অধিকারের প্রচারক। তিনি জানান, অ্যাসাঞ্জের জীবন বিপদের মুখে রয়েছে।

এর আগে ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকাকালে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে বেশ কয়েকবার দেখা করেন পামেলা।

তার মতে, অ্যাসাঞ্জকে বন্দী অবস্থায় দেখা খুবই কঠিন। তার সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে যাওয়ার প্রক্রিয়াটাও ছিল বেদনাদায়ক।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেত্রী ও সাবেক প্লেবয় মডেল জানান, এমন একজন ভালো মানুষের সঙ্গে যা হচ্ছে তিনি তা কল্পনাও করতে পারেন না।

বেলমার্শ জেলের বাইরে দাঁড়িয়ে এ কথাগুলো বলেন পামেলা। ওই সময় মাথায় ছিল বড় একটি ক্যাপ। সেখানে বাক-স্বাধীনতার পক্ষে একটি স্লোগান লেখা ছিল।

এই অভিনেত্রীর মতে, অ্যাসাঞ্জকে বন্দী করে রাখা অন্যায্য। এই কারণে তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। সত্যকে তুলে ধরতে অ্যাসাঞ্জ অনেক কিছু ত্যাগ করেছেন।

পামেলা অ্যান্ডারসন বর্তমানে ফ্রান্সে বসবাস করেন। সেখান থেকে অ্যাসাঞ্জকে দেখতে লন্ডনে এসেছেন।

গত ১১ এপ্রিল রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিলের পর ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে ধরে নিয়ে যায় ব্রিটিশ পুলিশ। যৌন নিগ্রহের হামলার জামিনের শর্ত লঙ্ঘনের দায়ে পরে আদালত তাকে ৫০ সপ্তাহের দণ্ড দেয়।

এর আগে প্রায় ৭ বছর তিনি দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির আশ্রয়ে ছিলেন। এদিকে তার বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাকে হাতে পেতে চেষ্টা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার।

ইরাক যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও কূটনৈতিক গোপন দলিল ফাঁস করে দিয়ে সারা বিশ্বে পরিচিতি পায় উইকিলিকস। এই লাখ খানেক দলিলের মধ্যে অন্য দেশের কূটনৈতিক তথ্যও ছিল।

সম্প্রতি কারাগারে দেখা করে এসে উইকিলিকসের এডিটর-ইন-চিফ ক্রিস্টিন হ্রাফনসন জানান, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ভেঙে পড়েননি। তিনি খুবই প্রাণোচ্ছল ব্যক্তি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here