যুক্তরাষ্ট্রের ফের স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এক শিক্ষার্থী নিহত এবং আরো সাতজন আহত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, মঙ্গলবার ডেনভার এলাকার একটি প্রকৌশল স্কুলে সেখানকারই দুই ছাত্র বন্দুক নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় তাদের এক সহপাঠী নিহত এবং আরো সাতজন আহত হয়।

এ ঘটনায় ইতিমধ্যে দুই সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের সন্দেহ ওই স্কুলে আরো বন্দুকবাজদের লুকিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে স্কুল চত্বরে তল্লাশি জারি রেখেছে স্পেশাল ওয়েপনস ও ট্যাকটিকসের দল৷

মার্কিন প্রশাসন জানায়, স্থানীয় সময় দুপুর দু’টো নাগাদ কলোরাডোর হাইল্যান্ড র‌্যাঞ্চের সাইন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ম্যাথ (স্টেম) স্কুলে হ্যান্ডগান নিয়ে বিভিন্ন ক্লাসরুমে হামলা চালায় ওই স্কুলেরই দুই ছাত্র। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ১৮ বছর বয়সী এক ছাত্র। আহত হয় আরো সাতজন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তাৎক্ষনিকভাবে হামলাকারীদের পরিচয় এবং তারা কী কারণে ওই হামলা চালিয়েছে সেটি জানা যায়নি। কেবল জানা গেছে, হামলাকারীদের একজনের বয়স আঠারোর নিচে, অন্যজন প্রাপ্তবয়স্ক। এ নিয়ে তদন্ত চলেছে।

মঙ্গলবার ওই স্কুলে গোলাগুলির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। তারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে আরও বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী সেথানে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে স্কুল চত্বর খালি করে পড়ুয়াদের নর্থরিজ রিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। স্পেশাল ওয়েপনস ও ট্যাকটিকসের দল ডেনভারের স্কুলটিকে ঘিরে রেখে তল্লাশি চালাচ্ছে।

স্টেম স্কুলটি কির্ডারগার্টেন থেকে শুরু করে ১২ ক্লাস পর্যন্ত। গুলি চলাকালীন সময়ে স্কুলে প্রায় ১৮০০ শিক্ষার্থী ছিল।

এদিকে এ ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিফিং করেছেন বলে হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায়ই স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে থাকে। এসব হামলার সঙ্গে স্কুলের বর্তমান বা সাবেক শিক্ষার্থীরাই জড়িত থাকেন। ১৯৯৯ সালে কলোরাডোর হাইল্যান্ড র‌্যাঞ্চ এলাকার কলাম্বাইন হাইস্কুলে চালানো বন্দুক হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছিলো। হামলায় অংশ নেয়া চালিয়ে কলাম্বাইন হাইস্কুলের দুই শিক্ষার্থী পরে আত্মহত্যা করেছিলো।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here