একদিন আগেই বার্সেলোনাকে অবিশ্বাস্যভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠে লিভারপুল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার বাংলাদেশ সময় ইউরোপ সেরার আরেক সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে দেখা গেল একই চিত্র। প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে জিতে আসা আয়াক্স ফিরতি পর্বের প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে বসে। তাতে কোণঠাসা হয়ে পড়ে টটেনহ্যাম হটস্পার। সেখান থেকেই লুকাস মউরার হ্যাটট্রিকে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস্য এক জয়ে এ টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠে ক্লাবটি।

ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনায় বাংলাদেশ সময় বুধবার রাতে সেমিফাইনালের ফিরতি পর্বের ম্যাচে ৩-২ গোলে জিতে টটেনহ্যাম। এরআগে গত সপ্তাহে এ লেগের প্রথম দেখায় টটেনহ্যামের মাঠে ১-০ গোলে জিতেছিল আয়াক্স।

নিজেদের মাঠে ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই আয়াক্সকে এগিয়ে নেন দে লিট। সতীর্থ লাসে শাওনের ক্রস থেকে ডি-বক্স থেকে বাঁ পাশ দিয়ে হেডে জাল খুঁজে তরুণ এই সেন্টারব্যাক। প্রথমার্ধেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে হামি জাইয়েচ। দুসান তাদিচের পাসে বা পায়ের জোরালো শটে গোলটি করেন আক্রমণাত্মক এই মিডফিল্ডার। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সাবেক চ্যাম্পিয়ন আয়াক্স। দলকে প্রায় ফাইনালে দেখে উল্লাসে তখন মাতোয়ারা জোহান ক্রুইফ অ্যারেনার গ্যালারি।

দ্বিতীয়ার্ধের দশম মিনিটেই ডেলে আলির পাস থেকে দারুণ একটি গোল করে ব্যবধান কমান মাউরা। চার মিনিটর পর ব্রাজিলিয়ান এই উইঙ্গার দ্বিতীয় গোলের দেখা পেলে সমতা ফেরে ম্যাচে। আরো জমে উঠে লড়াই। দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন ৩-২। আরেকটি গোল পেলেই ফাইনালে যাবে টটেনহ্যাম। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে সেই হিসাবটাও সম্ভব করে তুললেন মাউরা।

যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে ডেলে আলির পাসে ডি-বক্সে ঢুকে নিচু জাল খুঁজে নেন আক্রমণভাগের এই খেলোয়াড়। রূপকথা জন্ম দেওয়ার উল্লাসে মাতে টটেনহ্যাম। রাজ্যের হতাশা নেমে আসে আয়াক্স শিবিরে।

ফাইনালে টটেনহ্যামের প্রতিপক্ষ স্বদেশী ক্লাব লিভারপুল। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অল ইংলিশ ফাইনাল হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০০৭-০৮ আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here