তীরে গিয়ে তরী ডুবল পাকিস্তানের। অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পরও মাত্র ১২ রানে হেরে যায় পাকিস্তান। একজন যোগ্য ফিনিশারের অভাবে লড়াই করেও কাঙ্খিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি পাকিস্তান।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৭৪ রানের পাহাড়সম টার্গেট তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান থেমে যায় ৩৬১ রানে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জেসনের সঙ্গে ১১৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন বেয়ারস্টো। ৬ চারে ৪৪ বলে হাফসেঞ্চুরি করার পরের বলেই আউট হন এই ওপেনার। ১৩ রানের জন্য সেঞ্চুরিবঞ্চিত হন জেসন, তার ৮৭ রান এসেছে ৯৮ বলে।

জো রুট ৪০ রানে আউট হলে ক্রিজে ছড়ি ঘোরান মরগান ও বাটলার। ১৬২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তারা। দুজনে পাল্লা দিয়ে রান করেছেন। তবে বেশি মারকুটে ছিলেন বাটলার। ৪টি চার ও ৯টি ছয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তার ৫৫ বলে ১১০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ৯ ছয়। মরগান অপরাজিত ছিলেন ৭১ রানে। তার ৪৮ বলের ইনিংস সাজানো ছিল ৬টি চার ও একটি ছয়ে।

পাকিস্তানের পক্ষে একটি করে উইকেট নেন হাসান আলী, ইয়াসির শাহ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি।

বিশাল লক্ষ্য দিয়েও স্বস্তিতে থাকতে পারেনি ইংল্যান্ড। দলের ৯২ রানে ইমাম উল হক (৩৫) ফিরে গেলে বাবর আজমকে নিয়ে ১৩৫ রানের চমৎকার জুটি গড়েন ফখর। তাকে আউট করে পাকিস্তানের রানের লাগাম টেনে ধরে স্বাগতিকরা। ১০৬ বলে ১২ চার ও ৪ ছয়ে ১৩৮ রান করেন ফখর।

পরের ওভারে ৫১ রান করে বাবর মাঠ ছাড়লে পাকিস্তান লড়াই করে আসিফ আলী ও সরফরাজ আহমেদের ব্যাটে। আসিফ ৫১ রানে আউট হওয়ার পর তারা দ্রুত আরও কয়েকটি উইকেট হারালে রান রেট বাড়তে থাকে। শেষ ওভারে ১৯ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। সফল হননি সরফরাজ, ৪১ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।

ডেভিড উইলি ও লিয়াম প্লাঙ্কেট ইংল্যান্ডের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন বাটলার।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here