দ্বাদশ আইপিএলের চ্যাম্পিয়ন হলো রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। শেষ বলের রোমাঞ্চে নাটকীয় জয় পায় মুম্বাই। মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসকে ১ রানে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো শিরোপা জিতলো মুম্বাই। এর আগে ২০১৩, ২০১৫ আর ২০১৭ সালে শিরোপা জিতেছিল মুম্বাই। ২০১০, ২০১১ আসরের পর গত আসরেও চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই। টানা দ্বিতীয় এবং চতুর্থবারের মতো শিরোপা নিজেদের ঘরে তোলা হলো না দলটির।

হায়দ্রাবাদের ফাইনালে আগে ব্যাট করে মুম্বাই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৪৯ রান। জবাবে, ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে চেন্নাই তোলে ১৪৮ রান। ১ রানে হেরে যায় চেন্নাই।

শেষ ওভারে ৯ রান দরকার ছিল চেন্নাইয়ের। ক্রিজে ওয়াটসনের সঙ্গে ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। কিন্তু ৪ রান দূরে থাকতে চতুর্থ বলে দুটি রান নিতে গিয়ে রানআউট হন ওয়াটসন। ৫৯ বলে ৮ চার ও ৪ ছয়ে ৮০ রান করেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। নেমেই শারদুল ঠাকুর দুটি রান নিলে ম্যাচের উত্তেজনা গড়ায় শেষ বলে, দরকার ছিল ২ রান। কিন্তু লাসিথ মালিঙ্গার ইয়র্কারে শারদুল এলবিডাব্লিউ হলে শ্বাসরুদ্ধকর জয় পায় মুম্বাই।

এর আগে কুইন্টন ডি কক (২৯) ও রোহিত শর্মার (১৫) উদ্বোধনী জুটির ৪৫ রানে দারুণ ‍শুরু করে মুম্বাই। এরপর ১০১ রানে ৫ উইকেট হারানো দলকে টেনে তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া ও পোলার্ড। ৩৯ রানের জুটি গড়েন তারা। পান্ডিয়া ১৬ রানে আউট হওয়ার পর দ্রুত উইকেট হারায় মুম্বাই। তবে পোলার্ড ২৫ বলে তিনটি করে চার ও ছয়ে ৪১ রান করে স্কোরবোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। শেষ ৫ ওভারে মুম্বাই করে ৪৭ রান।

লক্ষ্য বড় না হলেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় বিপদে পড়েছিল চেন্নাই। অবশ্য একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন ওয়াটসন। ফাফ দু প্লেসি (২৬) ও ডোয়াইন ব্রাভো (১৫) ছাড়া আর কারও কাছ থেকে উপযুক্ত সঙ্গ পাননি তিনি। তারপরও তার ব্যাটে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছিল চেন্নাই। কিন্তু দুই বল আগে তার আউটে সেটা ভেঙে যায়।

এনিয়ে চারবার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল চেন্নাই ও মুম্বাই। ২০১৩ ও ২০১৫ সালের পর টানা তৃতীয়বার শিরোপার লড়াইয়ে তাদের হারালো মুম্বাই।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here