পাকিস্তান ক্রিকেট মানেই হয়ে পড়েছিল বিতর্ক, অনিশ্চয়তা। কখনো সহজ কোন ম্যাচ হেরে বসেছে কঠিন করে, তো কঠিন ম্যাচ জিতে নিয়েছে সহজ করে। নামের পাশে ‘আনপ্রেডিকটেবল’ তকমা লেগেছে অনেক আগেই, অনেকেই আবার আনপ্রেডিকটেবল বলেই তাদের পক্ষে ধরেন বাজি। কিন্তু দলটির হেড কোচ মিকি আর্থার বলছেন পরিশ্রম আর নিজেদের পারফর্ম দিয়েই সাফল্য পাবেন, আনপ্রেডিকটেবল ট্যাগ দিয়ে নয়।

গত এশিয়া কাপের পর থেকেই পাকিস্তানের সাফল্যের গ্রাফ নিম্নমুখী। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সবশেষ সিরিজে হয়েছে ধবলধোলাই। চলমান ইংল্যান্ড সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর আবার হারতে হয়েছে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচে। র‍্যাংকিং আর সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় বিশ্বকাপ জেতার দৌড়ে খুব একটা সামনের দিকে পাকিস্তানকে রাখছেন না কেউই, তবে আনপ্রেডিকটেবল বলেই তাদের নিয়ে অনেকেই ধরছেন বাজি।

হয়তো হট ফেভারিট না হয়েও ঘটিয়ে বসতে পারে কোন অঘটন। তবে এমন নেতিবাচক সাফল্য কামনায় যারপরানই বিরক্ত পাকিস্তান কোচ। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এক ভিডিও বার্তায় অন্যান্য কোচিং স্টাফদের সাথে নিয়ে মিকি আর্থার বলেন, ‘আনপ্রেডিকটেবল শব্দটি আমরা কোচিং স্টাফরা সবাই ঘৃনা করি।’

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন পাকিস্তান সেরা চারে পৌঁছাতে পারে তাদের অনির্দেশ্যতার কারণে। তবে এর সাথে একেবারেই দ্বিমত কোচ আর্থারের। তার মতে পাকিস্তান সাফল্য পাবে নিজেদের পরিশ্রম আর দক্ষতা দিয়ে, ‘আপনি যদি পুরো বিশ্লেষণ অনুসরণ করেন তাহলে দেখবেন তারা বলছে আনপ্রেডিকটেবল বলেই পাকিস্তান সেরা চারে যেতে পারে। আমি বলবো, না। আমরা দক্ষতা নিয়ে অনেক কাজ করেছি সাফল্য আসলে এতেই আসবে।’

নিজেদের দিনে যে কাওকে হারানোর ক্ষমতা রাখে উল্লেখ করে পাকিস্তান কোচ আরও যোগ করেন তারা তাদের কাজ দিয়ে আনপ্রেডিকটেবল তকমা কমাতে শুরু করেছেন, ‘আমরা দুর্দান্ত প্রশিক্ষণ করেছি, রুটিন মেনে চলেছি, একটা কাঠামো দাঁড় করিয়েছি। এ কাঠামো আর স্বচ্ছতা আমাদের আনপ্রেডিকটেবল তকমা পাওয়া থেকে দূরে রখবে। নিজেদের দিনে আমরা যে কাওকে হারাতে পারি। ছেলেদের মধ্যে এ বিশ্বাস কাজ করা শুরু করছে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here