মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করার জন্য রাশিয়ার প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছিলেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাশিয়ার বন্দরনগরী সোচি’তে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে পম্পেও’কে সরাসরি ‘না’ বলে দেন ল্যাভরভ।

রাশিয়া ও আমেরিকার দ্বিপক্ষীয় বিষয়াদির পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার জন্য পম্পেও রাশিয়া ছুটে যান। কিন্তু দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনায় মতবিরোধের সমাধান হওয়ার পরিবর্তে মতপার্থক্য বেড়ে যায়।

ভেনিজুয়েলার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাদুরোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের আহ্বান নাকচ করে দিয়ে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মার্কিন সরকার বরং মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি দিয়ে ‘অগণতান্ত্রিক’ কাজ করছে।

সোচি বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে ল্যাভরভকে সতর্ক করে দেন পম্পেও। কিন্তু রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়া হস্তক্ষেপ করেছিল বলে ‘গালগল্প’ প্রচার করা হচ্ছে তার অবসান ঘটাতে হবে। ল্যাভরভ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, রাশিয়া এ কাজ অতীতেও করেনি ভবিষ্যতেও করবে না। তিনি তার দেশকে এ ধরনের অপবাদ দেয়া বন্ধ করতে ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানান।

এ ছাড়া, সোচি বৈঠকে ইউক্রেন প্রসঙ্গেও কথা বলেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পম্পেও ল্যাভরভকে জানান, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি ওয়াশিংটন মেনে নেবে না এবং ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মস্কোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তার এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত গণভোটে সেখানকার জনগণ যে রায় দিয়েছে তার ভিত্তিতে প্রজাতন্ত্রটিকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here