ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, আমেরিকা তার দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ‘মানবতা বিরোধী অপরাধ’ করছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এ নিষেধাজ্ঞায় ইরানের সাধারণ জনগণের খাদ্য ও ওষুধকে টার্গেট করা হয়েছে।

তিনি বুধবার তেহরানে ইরানি আইনজীবীদের সঙ্গে এক বৈঠকে আরো বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক যুদ্ধের ফলে ইরানের সাধারণ জনগণ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। এ যুদ্ধকে তিনি ‘মানবতা বিরোধী অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “এটি ইরানের সরকারের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধ নয় বরং এটি এদেশের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।”

২০১৮ সালের মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে আমেরিকাকে পরমাণু সমঝোতা থেকে বের করে নেন একই বছরের নভেম্বরে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেন। সে সময় ইরানের তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রে কিছু দেশকে ছয় মাসের জন্য ছাড় দেয় ওয়াশিংটন। কিন্তু সম্প্রতি সে ছাড় প্রত্যাহার করে নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন সরকার বলছে, তারা ইরানের তেল বিক্রি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চায়।

ইরানের সরকারের আচরণে কথিত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে ওয়াশিংটন দাবি করলেও বাস্তবে এর ফলে ইরানের সাধারণ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে এবং তারা নানাভাবে দুর্ভোগ ও ভোগান্তিতে পড়েছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here