সফররত জাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.  মামাদৌ টাঙ্গারা বলেছেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গা ইস্যু তুলে ধরতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
শুক্রবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

ড. মামাদৌ বলেন, রোহিঙ্গা সংকটে তার দেশ বাংলাদেশকে সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রাখবে, কারণ এটি একটি মানবিক সমস্যা।

বাংলাদেশের অসাধারণ উন্নয়ন, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন তিনি।
শেখ হাসিনার কাছে জাম্বিয়ার রাষ্ট্রপতির একটি চিঠি হস্তান্তর করেন মামাদৌ।

জাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং একটি বিদেশি অফিস প্রোটোকলে স্বাক্ষর করেছেন।

‘আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে আগ্রহী,’ বলেন তিনি।

১৯৮১ সালের এই দিনে স্বেচ্ছা নির্বাসন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নিজের দীর্ঘ সংগ্রামের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যদের হত্যা করা হয়। সেসময় তিনি ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান।

‘দেশে ফিরে আসার পর দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। এখন আমরা দেশের মানুষের অবস্থার উন্নয়নে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জিডিপি ৮.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দারিদ্র্যের হার ২১ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। আমরা গ্রামের মানুষের উন্নয়নের ওপর সম্পূর্ণ গুরুত্ব দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্প উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করছে।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী ও মুখ্য সচিব এম নজিবুর রহমান।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here