ত্বক ও চুলের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন কর্পূর। এর অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান ব্রণ ও খুশকি দূর করতে কার্যকর। জেনে নিন কীভাবে ত্বক ও চুলের যত্নে ব্যবহার করবেন কর্পূর।

ত্বকের যত্নে

১ কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে ২ চা চামচ কর্পূর গুঁড়া মিশিয়ে একটি বয়ামে নিয়ে রোদে রেখে দিন। কর্পূর পুরোপুরি গলে গেলে তারপর ব্যবহার করুন ত্বকে। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণ দূর করার পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাওয়া লোমকূপ খুলতে সাহায্য করবে।

উজ্জ্বল ও ব্রণমুক্ত ত্বকের জন্য আধা কাপ ক্যাস্টর অয়েল ও আধা কাপ আমন্ড অয়েলের সঙ্গে ১ চা চামচ কর্পূর তেল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখবন্ধ বয়ামে রেখে দিন। রাতে ঘুমানোর আগে পরিমাণ মতো ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

১ টেবিল চামচ বেসনের সঙ্গে আধা চা চামচ কর্পূরের তেল ও ২ টেবিল চামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর হবে। দূর হবে ত্বকের মরা চামড়াও।

চুলের যত্নে

২টি কর্পূর ট্যাবলেট গুঁড়া করে নিন। ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল ও অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে সামান্য গরম করে নিন। ঠাণ্ডা হলে একটি ডিমের সাদা অংশ ফেটিয়ে তেল ও কর্পূরের গুঁড়া মেশান। ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন মিশ্রণটি। শাওয়ার ক্যাপ পড়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। হেয়ার প্যাকটি ব্যবহার করলে খুশকি দূর হবে।

কর্পূর তেলের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। এটি চুলের গোড়া শক্ত করবে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here