আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের বিধি অনুযায়ী বিশ্বকাপে প্রতিটি দলেরই সংগ্রহে রাখতে হয় অন্তত দুই সেট জার্সি, যেটা হোম আর অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ব্যবহার করে থাকে দলগুলা। অ্যাওয়ে জার্সি সচরাচর ব্যবহৃত না হলেও এবার অংশগ্রহণকারী দেশগুলার মধ্যে বেশ কয়েক দলের জার্সি কাছাকাছি রংয়ের হওয়াতে লাল-সবুজের পাশাপাশি বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে লাল জার্সি গায়েও মাঠ মাতাতে দেখা যাবে অধিয়ায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার দলকে।

আগামী ৩০ মে পর্দা উঠতে যাওয়া দ্বাদশ বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলের জার্সি নিয়ে কম নাটক হয়নি। সমর্থকদের তোপের মুখে অবশেষে জার্সির নকশা বদলাতে বাধ্য হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বমঞ্চে মাঠে নামার আগে সবুজ রংয়ের সেই জার্সির পাশাপাশি লাল রংয়ের আরেক সেট জার্সি প্রস্তুত রেখেছে বিসিবি, যেটা ধরা হচ্ছে টাইগারদের অ্যাওয়ে জার্সি হিসাবে।

আইসিসির নিয়মে থাকাতেই অন্যান্য দেশের মতই অন্তত দুই সেট জার্সির নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে হচ্ছে বাংলাদেশকে, কেননা বিশ্বকাপে এবারের ফরম্যাট রাউন্ড-রবিন৷ অর্থাৎ লিগে প্রতিটি দল প্রত্যেকের সঙ্গে একবার করে খেলবে৷ সেক্ষেত্রে একই রংয়ের জার্সি পরা দলগুলোর মধ্যে খেলা হলে সমস্যা হবে৷ একথা মাথায় রেখেই আইসিসি হোম এবং অ্যাওয়ে ম্যাচের জার্সির কথা ভেবেছে।

আসন্ন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সির রং সবুজ। অপরদিকে ভারত, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান আর শ্রীলঙ্কার জার্সিতে আছে নীল রংয়ের আভা, তাইতো একে অপরের বিপক্ষের ম্যাচে জার্সির রং যাতে এক না হয় সেজন্য আইসিসির এমন উদ্যোগ। হোম ম্যাচে প্রতিটি দল নিজেদের মূল জার্সিটি পরবে। যেই সব দলগুলোর জার্সির রং একই তাদের মধ্যকার খেলায় অ্যাওয়ে দল তাদের বিকল্প জার্সি পরবে।

বাকিদের সাথে বাংলাদেশ দল তাদের মূল জার্সি অর্থাৎ লাল-সবুজ মিশ্রিত জার্সি গায়ে চাপিয়ে মাঠে নামলেও পাকিস্তান আর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দুটিতে লাল জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে টাইগারদের, যেখানে বাংলাদেশ দলকে অ্যাওয়ে দল হিসাবে ধরা হয়েছে। ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান নিশ্চিত করেছে বিষয়টি।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here