ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই চরম শিডিউল বিপর্যয়ের ফাঁদে পড়েছেন রেলের যাত্রীরা। প্রায় সব ট্রেন দুই থেকে ৫ ঘণ্টা দেরিতে স্টেশন ছেড়েছে। সেজন্য যাত্রীদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়েনি লঞ্চও। ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই উপচে পড়া ভিড় ছিল সড়কপথে। এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শৃঙ্খলা মেনে সড়কে পরিবহন চলাচল করলে যানজট ও দুর্ঘটনা কমে আসবে।

ট্রেনের হুইসেল নয়, যেন বাড়ির পথে প্রাণের বাঁশি। সেই বাঁশি শোনার জন্য দীর্ঘ ক্লান্তিকর অপেক্ষা। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় চরমে ওঠায় ফিঁকে হয়ে যায় ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রার আনন্দ।

প্রথম টিকিট নিয়ে সীমাহীন বিশৃঙ্খলা। এরপর শিডিউলের এমন বিপর্যয়। কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন রেলমন্ত্রী।

রেলমন্ত্রী বলেন, আজকে যেটা দেরি সেই দেরিটাকে আমাদের মেনে নিতে হচ্ছে। রংপুর এক্সপ্রেসে যাচ্ছেন, তাদের কাছে রেলমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।

গাবতলীসহ রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া। যারা আগাম টিকিট কেটে রেখেছিলেন তারাই শুক্রবার ঢাকা ছাড়ছেন। লোকাল বাসগুলোর কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

ঈদে ঘরে ফেরা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকে একটু চাপ বাড়বে। তারপরেও সড়কের কারণে কোথাও যানজটের আশঙ্কা নেই।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের প্রতিটি লঞ্চই ছেড়েছে এক থেকে দুই ঘণ্টা দেরিতে। বিক্ষুব্ধ যাত্রীরা চড়াও হন লঞ্চকর্মীদের ওপর। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

যাত্রার ভোগান্তি যেন ঈদ উদযাপনে ছায়া না ফেলে সেজন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি সাধারণ মানুষের।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here