ওসহানে থমাস, জেমন হোল্ডার, আন্দ্রে রাসেল ও শেলডন কর্টেলের পেসের সামনে শুক্রবার ট্রেন্ট ব্রিজের ২২ গজে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা। রীতিমত খাবি খেয়ে একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দেন ফখর জামান-বাবর আজমরা। তাইতো একশ পেরিয়েই গুটিয়ে যায় মিকি আর্থারের শিষ্যরা। কিন্তু সেখানেই ঝড় তুলেন ক্রিস গেইল। মাত্র ৩৩ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত তার ব্যাটে ভর করে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দ্বাদশ বিশ্বকাপের শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। শুরুতে দারুণ কিছু শট খেলে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ওপেনার ফাখার জামান। তবে আরেক ওপেনার ইমাম-উল-হকের উইকেট তুলে নেওয়ার পর বদলে যায় পরিস্থিতি। যদিও উইকেটে নেমে বাবর আজমও খেলছিলেন ভয়ডরহীন ক্রিকেট। তখনই বোলিংয়ে পরিবর্তন আনে উইন্ডিজ। বল হাতে নিয়েই ফাখারকে বোল্ড করেন আন্দ্রে রাসেল।

এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের আসা যাওয়ার পালা। উইকেটে নেমেই তড়িঘড়ি করতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে দলীয় ৮৩ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে দলটি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের স্কোরটি ২২। ফাখার ও বাবরের দুইজনই এ পরিমাণ রান করেন। এ দুই ব্যাটসম্যান ছাড়া কেবল দুই অঙ্কের কোটায় পৌঁছাতে পেরেছেন মোহাম্মদ হাফিজ (১৬) ও ওয়াহাব রিয়াজ (১৮)।

মূলত রিয়াজের ব্যাটেই দলটি একশর কোটা পেরিয়েছে। বর্ণহীন ম্যাচে শেষ দিকে ১টি চার ও ২টি ছক্কা মেরে দর্শকদের কিছুটা বিনোদন দিয়েছেন তিনি। উইন্ডিজের প্রায় সব বোলারই ভুগিয়েছে পাকিস্তানকে। তবে সেরা বোলার তরুণ ওশানে থমাসই। ২৭ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪টি উইকেট। অধিনায়ক জেসন হোল্ডার নিয়েছেন ৩টি উইকেট। এছাড়া রাসেল ২টি ও শেল্ডন কট্রেল ১টি উইকেট পান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান: ২১.৪ ওভারে ১০৫ (ইমাম ২, ফাখার ২২, বাবর ২২, হারিস ৮, সরফরাজ ৮, হাফিজ ১৬, ইমাদ ১, শাদাব ০, হাসান ১, ওয়াহাব ১৮, আমির ৩*; কটরেল ১/১৮, হোল্ডার ৩/৪২, রাসেল ২/৪, ব্র্যাথওয়েট ০/১৪, থমাস ৪/২৭)।

উইন্ডিজ: ১৩.৪ ওভারে ১০৮/৩ (গেইল ৫০, হোপ ১১, ব্রাভো ০, পুরান ৩৪*, হেটমায়ার ৭*; আমির ৩/২৬, হাসান ০/৩৯, ওয়াহাব ০/৪০)।

ফলাফল: উইন্ডিজ ৭ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ওশান থমাস (উইন্ডিজ)।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here