এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমেছিল লঙ্কানরা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই নিউজিল্যান্ডের সফল রিভিউতে লাহিরু থিরিমান্নেকে হারায় দলটি। তবে তিন নম্বরে নামা কুশল পেরেরাকে নিয়ে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিল দলটি। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৭ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েছিল দলটি। কিন্তু এ জুটি ভাঙতেই যেন বদলে গেল সব। উইকেট হারানোর মিছিলে যোগ দিলেন ব্যাটসম্যানরা।

সপ্তম উইকেটে অবশ্য থিসারা পেরেরা কিছুটা সঙ্গ দিয়েছিলেন অধিনায়ককে। ম্যাচের একমাত্র অর্ধশত রানের জুটিটিও আসে এ জুটিতে। উইকেটে নেমে ধারার বিপরীতে কিছুটা আগ্রাসী ব্যাট করেন থিসারা। ২৩ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এ দুই ব্যাটসম্যানের স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৫২ রান। তাতেই একশ রানের কোটা পাড় করে দলটি। শেষ পর্যন্ত ২৯.২ ওভারে ১৩৬ রান করেছে তারা।

তবে মজার একটি ব্যাপার ঘটিয়েছেন কারুনারাত্নে। লোকি ফার্গুসনের ২৭তম ওভারের চতুর্থ বলে ফ্রি হিট পেয়েছিলেন তিনি। সে বলটি স্লো বাউন্সার দিয়েছিলেন ফার্গুসন। কিন্তু সবাইকে বিস্ময় উপহার দিয়ে সে বলে না মেরে মাথা নিচু করে মারার কোন চেষ্টায় করেননি অধিনায়ক। তবে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৫২ রানের ইনিংস খেলেছেন কারুনারাত্নে। ৮৪ বলের ধৈর্যশীল ইনিংসে ৪টি চার মেরেছেন এ ব্যাটসম্যান।

এদিন শ্রীলঙ্কাকে ভুগিয়েছেন ম্যাট হেনরিই বেশি। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। অথচ এ ম্যাচে খেলার কথাই ছিল না তার। দলের অন্যতম সেরা পেসার টিম সাউদি ইনজুরিতে থাকায় সুযোগ মিলে তার। সুযোগ পেয়েই যোগ্যতা প্রমাণ করেন তিনি। পেয়েছেন ৩টি উইকেট। ৩টি উইকেট পেয়েছেন ফার্গুসনও।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

শ্রীলঙ্কা: ২৯.২ ওভারে ১৩৬ (থিরিমান্নে ৪, করুনারত্নে ৫২*, কুসল পেরেরা ২৯, কুসল মেন্ডিস ০, ধনাঞ্জয়া ৪, ম্যাথিউস ০, জিবন মেন্ডিস ১, থিসারা ২৭, উদানা ০, লাকমল ৭, মালিঙ্গা ১; হেনরি ৩/২৯, বোল্ট ১/৪৪, ফার্গুসন ৩/২২, ডি গ্র্যান্ডহোম ১/১৪, নিশাম ১/২১, স্যান্টনার ১/৫)।

নিউজিল্যান্ড: ১৪.১ ওভারে ১৩৭/০ (গাপটিল ৭৩*, মুনরো ৫৮*; মালিঙ্গা ০/৪৬, লাকমাল ০/২৮, উদানা ০/২৪, থিসারা ০/২৫, জিবন ০/১১)।

ফলাফল: নিউজিল্যান্ড ১০ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ম্যাট হেনরি (নিউজিল্যান্ড)।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমেছিল লঙ্কানরা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই নিউজিল্যান্ডের সফল রিভিউতে লাহিরু থিরিমান্নেকে হারায় দলটি। তবে তিন নম্বরে নামা কুশল পেরেরাকে নিয়ে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিল দলটি। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৭ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েছিল দলটি। কিন্তু এ জুটি ভাঙতেই যেন বদলে গেল সব। উইকেট হারানোর মিছিলে যোগ দিলেন ব্যাটসম্যানরা।

সপ্তম উইকেটে অবশ্য থিসারা পেরেরা কিছুটা সঙ্গ দিয়েছিলেন অধিনায়ককে। ম্যাচের একমাত্র অর্ধশত রানের জুটিটিও আসে এ জুটিতে। উইকেটে নেমে ধারার বিপরীতে কিছুটা আগ্রাসী ব্যাট করেন থিসারা। ২৩ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এ দুই ব্যাটসম্যানের স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৫২ রান। তাতেই একশ রানের কোটা পাড় করে দলটি। শেষ পর্যন্ত ২৯.২ ওভারে ১৩৬ রান করেছে তারা।

তবে মজার একটি ব্যাপার ঘটিয়েছেন কারুনারাত্নে। লোকি ফার্গুসনের ২৭তম ওভারের চতুর্থ বলে ফ্রি হিট পেয়েছিলেন তিনি। সে বলটি স্লো বাউন্সার দিয়েছিলেন ফার্গুসন। কিন্তু সবাইকে বিস্ময় উপহার দিয়ে সে বলে না মেরে মাথা নিচু করে মারার কোন চেষ্টায় করেননি অধিনায়ক। তবে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৫২ রানের ইনিংস খেলেছেন কারুনারাত্নে। ৮৪ বলের ধৈর্যশীল ইনিংসে ৪টি চার মেরেছেন এ ব্যাটসম্যান।

এদিন শ্রীলঙ্কাকে ভুগিয়েছেন ম্যাট হেনরিই বেশি। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। অথচ এ ম্যাচে খেলার কথাই ছিল না তার। দলের অন্যতম সেরা পেসার টিম সাউদি ইনজুরিতে থাকায় সুযোগ মিলে তার। সুযোগ পেয়েই যোগ্যতা প্রমাণ করেন তিনি। পেয়েছেন ৩টি উইকেট। ৩টি উইকেট পেয়েছেন ফার্গুসনও।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

শ্রীলঙ্কা: ২৯.২ ওভারে ১৩৬ (থিরিমান্নে ৪, করুনারত্নে ৫২*, কুসল পেরেরা ২৯, কুসল মেন্ডিস ০, ধনাঞ্জয়া ৪, ম্যাথিউস ০, জিবন মেন্ডিস ১, থিসারা ২৭, উদানা ০, লাকমল ৭, মালিঙ্গা ১; হেনরি ৩/২৯, বোল্ট ১/৪৪, ফার্গুসন ৩/২২, ডি গ্র্যান্ডহোম ১/১৪, নিশাম ১/২১, স্যান্টনার ১/৫)।

নিউজিল্যান্ড: ১৪.১ ওভারে ১৩৭/০ (গাপটিল ৭৩*, মুনরো ৫৮*; মালিঙ্গা ০/৪৬, লাকমাল ০/২৮, উদানা ০/২৪, থিসারা ০/২৫, জিবন ০/১১)।

ফলাফল: নিউজিল্যান্ড ১০ উইকেটে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ম্যাট হেনরি (নিউজিল্যান্ড)।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here