এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদনকারীদের সোশাল মিডিয়ার কর্মকাণ্ডের তথ্য জমা দিতে হবে। কূটনীতিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের ভিসার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। তবে যারা পড়ালেখা করতে বা বেড়াতে যেতে চান, তারা এর আওতায় পরবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। খবর বিবিসির।

দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার আবেদন করবেন, তাদের ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যবহৃত অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং গত পাঁচ বছর ধরে ব্যবহার করছেন এমন ই-মেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বরও জমা দিতে হবে।

তবে কেউ মিথ্যা তথ্য দিলে তাকে অভিবাসন আইনে ‘কঠোর ব্যবস্থার’ মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া কেউ যদি সোশাল মিডিয়া ব্যবহার না করলে তা উল্লেখ করার সুযোগ থাকবে ভিসা আবেদন ফরমে।

গত বছর এই নিয়ম চালুর প্রস্তাব করার সময় যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ হিসেব করে দেখেছিল, বছরে এক কোটি ৪৭ লাখ মানুষের ওপর এর প্রভাব পড়বে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট বলেছে, “নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সব সময়ই আমাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া উন্নত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।”

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল যুক্তরাষ্ট্রমুখী অভিবাসন সীমিত করে আনা। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিনি কড়া নজরদারির ওপর জোর দিয়ে আসছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here