পেশাদার জীবনে অধিকাংশ ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে পুরোনো অভিজ্ঞতা হলেও এবারের ঈদে সবাইকে যেতে হল নতুন আরেক অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে। ‘শতভাগ নিরাপত্তা’ নিশ্চিত করতে সাধারণের চোখ এড়িয়ে অনেকটা নিভৃতে ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়েছে পরিবার-পরিজন ছাড়া ।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ইংল্যান্ডে মঙ্গলবার পালিত হচ্ছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের একটি ঈদুল ফিতর। সোমবার বিকেল থেকেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ঈদের নামাজ পড়া নিয়ে শুরু হয় লুকোচুরি। কোথায়, কীভাবে নামাজ আদায় করা হবে, তা কেউ বলতে পারছিলেন না। নিউজিল্যান্ডের সেই ভয়াবহ ঘটনাই এর জন্য দায়ী।

ক্রিকেটাররা বিদেশে থাকলে সাধারণত একসঙ্গেই নামাজ পড়তে যান। বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করে আয়োজকেরাই সবকিছু ব্যবস্থা করে। কিন্তু এবার ক্রিকেটের সর্বোচ্চ অভিভাবক সংস্থা (আইসিসি) ঈদের নামাজে যাওয়ার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে।

এর ভেতর দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন জানান, কোলাহলপূর্ণ জায়গা ছেড়ে শহর থেকে দূরে কোনো মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে যাবেন টাইগার ক্রিকেটাররা। যেখানে মানুষের ভিড় থাকবে কম। শেষ পর্যন্ত হয়েছে সেটাই।

এবার ঈদে সাকিব, মাশরাফীর মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররা স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে ইংল্যান্ডে ঈদ করলেও সদ্য বিবাহিতরা সেই সুযোগ পাননি। মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং সাব্বির রহমানকে বিয়ের প্রথম ঈদ পার করতে হল জীবনসঙ্গীকে ছাড়াই।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here