কিছু দিন আগেই নিউজিল্যান্ডে গিয়ে নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরেছিল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপেও কিউইদের বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড বড্ড দৃষ্টিকটু।

বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ঝাঁকুনি দিয়ে শুরু করেছে বটে, নিউজিল্যান্ড যে শ্রীলঙ্কাকে রীতিমতো গুঁড়িয়েই দিয়েছে। খালি চোখে শক্তির বিচার করলে কেন উইলিয়ামসনরাই এগিয়ে থাকবেন। তবে খেলায় নেমে কোন প্রতিপক্ষকেই নিজেদের চেয়ে এগিয়ে রাখতে নারাজ সৌম্য সরকার।

রোববার প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের সুর বেধে দিয়েছিলেন সৌম্য। ওপেন করতে নেমে আগ্রাসী ব্যাট চালিয়ে ৩০ বলে করেন ৪২ রান। মাঝারি ইনিংস বড় করতে না পারলেও তার ওই শুরু গোটা দলকে দিয়েছিল এগিয়ে চলার গতি। আবারও তাই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুর চ্যালেঞ্জ নিতে হবে তাকেই।

সর্বশেষ সিরিজে বিধ্বস্ত হওয়ার স্মৃতি তরতাজা। কিউইরাও ভালোই জানেন বাংলাদেশের শক্তি দুর্বলতা। তবে বিশ্ব মঞ্চে এসব কিছুই কাজে দেবে না বলে মনে করেন সৌম্য। রেকর্ড যাইহোক নিজেদের নিচে রাখতে নারাজ তিনি, ‘খেলতে নেমে কাউকে উপরে রেখে নিজেদের নিচে রাখা ঠিক হবে না। মাঠে যেহেতু নামব শতভাগ দিয়েই নামব। জেতার জন্যই নামতে হবে। প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন। যত চেনা কিংবা অচেনাই হোক না কেন। ’

‘আমরা ওদের ওখানে যেটা খেলে আসছি। ওটা ওদের হোম কন্ডিশন ছিল। যতই ভাল দল হোক না কেন। অন্য মাঠে এলে সবার জন্যই কঠিন হয়। আমরা ওদের ভাল চিনি, ওরাও চিনে। যারা ভাল করবে তাদের পক্ষেই ফল যাবে।’

নিজেদের এক পাল্লায় রাখছেন সৌম্য। তবে প্রতিপক্ষের তূণে থাকা ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হ্যানরি, লুকি ফার্গুসেনদের মতো অস্ত্র থাকায় ধাক্কাটা যে কিরকম হবে টের পাচ্ছেন তিনি।  নিজেদের প্রথম ম্যাচে শুরুর ১০ ওভারেই শ্রীলঙ্কার কোমর ভেঙে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। পেস, স্যুয়িংয়ের ঝাঁজে লঙ্কানদের উড়িয়ে জিতেছিল দাপট দেখিয়ে।

সেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বুধবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম ১০ ওভারটাই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখছে বাংলাদেশ,  ‘প্রথম ১০ ওভারে যদি উইকেট না হারাই। যে রানই নিতে পারি, আমাদের জন্য ভাল হবে। আমি যেটুকু দেখছি ওরা প্রথম ১০ ওভারে আর্লি উইকেট নিচ্ছে। ওইটা যদি ঠেকাতে পারি ভাল হবে। আবার রান বের করে ফেলতে পারলে তো দারুণ হবে।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here