অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের ইমামতিতে নামাজে অংশ নেন রাজধানীর হাজারও মানুষ। দেশবাসীর সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা পরস্পর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও কোলাকুলি করেন।

বুধবার (৫ জুন) সকাল থেকেই মুসল্লিরা আসতে থাকেন জাতীয় ঈদগাহে। এদিকে নামাজের আগে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন মুসল্লিরা। ঈদগাহে প্রবেশের আগেই অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে যান। বাধ্য হয়ে অনেকেই গাছের নিচে আশ্রয় নেন। তবে নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি থেমে যায়।

জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুুল হামিদ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পেরেশনের মেয়র, উর্ধ্বতন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারী ও সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকরা নামাজ আদায় করেন।

ঈদের নামাজ আদায়ের পর রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ মুসল্লীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে মুসল্লীরা পরস্পর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

দুই লাখ ৬০ হাজার বর্গফুটের জাতীয় ঈদগাহ মাঠে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছেন। নারীদের প্রবেশের জন্য পূর্বদিকে পানির পাম্প সংলগ্ন গেট খোলা রাখা হয়। বরাবরের মতো এবারও  জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তায় অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন দেখা গেছে।   সর্তক অবস্থানে রয়েছে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। ঈদগাহের প্রবেশ মুখগুলোতে বসানো হয়েছে মেটাল ডিটেক্টর ও  আর্চওয়ে। ঈদগাহে জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কোনও কিছু নিয়ে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়নি মুসল্লিদের। নিরাপত্তা তল্লাশি শেষে মুসল্লিরা ভেতরে প্রবেশ করেছেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here