যাত্রীবাহী বাসের চালক ও তার সহকারীরা রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে চা-নাস্তা করায় ঈদযাত্রায় টাঙ্গাইলে কয়েক ঘণ্টা যানজট ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সোমবার সকালে মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান মন্ত্রী।

ঈদযাত্রার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকরা মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে কয়েকজন ঢাকা হয়ে উত্তরবঙ্গের পথে টাঙ্গাইলে বেশ কয়েকঘণ্টা যানজটের কথা উল্লেখ করেন ও এর কারণ মন্ত্রীর কাছে জানতে চান।

জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, টাঙ্গাইলে কয়েক ঘণ্টা যানজট ছিল। রাস্তার পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে দীর্ঘক্ষণ চালক, শ্রমিকরা খাওয়া-দাওয়ার মধ্যে ব্যস্ত ছিল। এ কারণে টাঙ্গাইলে বড় যানজট তৈরি হয়। এছাড়া আর তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেতুতে একমাত্র রাষ্ট্রপতির গাড়ি টোলবিহীন চলাচল করে। প্রধানমন্ত্রীকেও টোল দিয়ে এই সেতু অতিক্রম করতে হয়। তবে ভবিষ্যতে এই সেতু দিয়ে চলাচল করা অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশের গাড়ি টোল ফ্রি করা যায় কিনা সে বিষয়টি নিয়ে ভাবা হচ্ছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবার ঈদে সড়কে দুর্ঘটনার চেয়ে মৃত্যুর হার বেশি ছিল। মহাসড়কে ছোট যানবাহনগুলো চলাচলের কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই যানবচাহনগুলোর চলাচল বন্ধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। এবার সারাদেশে পরিবহনগুলোতে বেশি ভাড়াসহ বিভিন্ন অপরাধে ৫৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পাঁচ লাখ ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।’

আগামী এক মাসের মধ্যে রাইড শেয়ারিং নীতিমালা অনুমোদন করা হবে বলে জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী।
সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর হচ্ছে না কেন, সরকার কি পরিবহন শ্রমিকদের কাছে জিম্মি? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবহন শ্রমিকদের কাছে সরকার জিম্মি নয়। তাদের আন্দোলনের কারণেই সড়ক পরিবহন আইনটি কার্যকর করা যায়নি। আন্দোলনের সময় তারা ছিল ঐক্যবদ্ধ। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন আলোচনা করে এই আইনটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা করা যায়নি।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here