লাওসের বিপক্ষে বিশ্বকাপ প্রাক বাছাইয়ের অ্যাওয়ে ম্যাচে জয় নিয়ে ফিরেছিল বাংলাদেশ। হোম ম্যাচে তাই ড্র করলেই মূল পর্বের টিকিট মিলত। মঙ্গলবার নিজেদের মাঠে ড্র করে বাংলাদেশ পেল ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপ বাছাইয়ের মূল পর্বের টিকিট। একই সঙ্গে মিলল ২০২৩ এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইয়ের টিকিটও।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। তবে দুই অর্ধ জুড়েই প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেছে স্বাগতিক দল। কিন্তু ফিনিশিং লাইন ছিল একেবারেই দুর্বল। ফলে জয় বঞ্চিত হয়েছে জেমি ডের শিষ্যরা।

লাওসের বিপক্ষে সাম্প্রতিক রেকর্ড ছিল বাংলাদেশের পক্ষেই। নয় মাসের ব্যবধানে এই লাওসের বিপক্ষে দুইবার জিতেছিল বাংলাদেশ। ৬ জুন অ্যাওয়ে ম্যাচের আগে সর্বশেষ জয়টি ছিল বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে।

র‌্যাঙ্কিংয়েও দুই দলের পার্থক্য খুব বেশি নয়। বাংলাদেশের চেয়ে চার ধাপ এগিয়ে লাওস। বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে ১৮৮তম, লাওস সেখানে ১৮৪তম।

সব মিলে অ্যাওয়ে ম্যাচে জয় নিয়ে ফেরায় কাজটা জেমি ডের দলের জন্য বেশ সহজই ছিল। তবে লাওস চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল বাংলাদেশকে। মাঠে অবশ্য জামাল ভূঁইয়াদের সঙ্গে সেভাবে পেরে ওঠেনি তারা।

তবে বাংলাদেশ যে এ ম্যাচে জয় পেল না, এ জন্য শুধু নিজেদেরই দায় দিতে পারে তারা। প্রথমার্ধেই অন্তত দুটি গোল আদায় করে নিতে পারত বাংলাদেশ। যদি না নাবিব নেওয়াজ জীবন সহজ সুযোগ না হারাতেন।

সেট পিস আর বাংলাদেশের অন্যতম সেরা অস্ত্র লম্বা থ্রো থেকেও সুযোগ তৈরি করেছে। কিন্তু গোলমুখে গেলেই সব খেই হারিয়েছে। নিচ থেকে মাঝ মাঠ, বাংলাদেশ খেলেছে দারুণ ছন্দে। কিন্তু সেই ছন্দ অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়েই সুর হারিয়েছে।

তবে এই ড্রয়েও অর্জন যে কম নয়। অন্তত আগামী দুই বছর ফিফা ও এএফসির ম্যাচ পাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ভুটানের বিপক্ষে হেরে যে বিপর্যয় নেমে এসেছিল ফুটবলে, তার পুনরাবৃত্তি অন্তত হয়নি।

ফুটবল অনুরাগীদের মনে এখন নতুন দিনের স্বপ্ন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here