চলমান বিশ্বকাপের ১৭ নম্বর ম্যাচে গতকাল পাকিস্তানের (বুধবার) বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলো পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। নাটকীয় সেই ম্যাচে অনবদ্য শতক হাঁকিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার, তবে নিজের পাওয়া সম্মাননা ট্রফিটি এক ক্ষুদে ভক্তকে উপহার হিসাবে দিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলানো ম্যাচ্ব পাকিস্তানের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে বড় স্কোরের পথ দেখান দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। আর তারই ধারাবাহিকতায় ৩০৮ রানের লক্ষ্য দিয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রান তুলে তারা।

ম্যাচের শুরুতে অস্ট্রেলিয়াকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার। অবিচ্ছিন্ন ওপেনিং জুটিতে ১৪৬ রান তোলেন তারা। ফিফটি তুলে সেঞ্চুরির পথে হাঁটছিলেন ফিঞ্চ। তবে তাতে বাদ সাধেন মোহাম্মদ আমির। দ্বিতীয় স্পেলে ফিরেই অজি অধিনায়ককে ফেরান তিনি। ফেরার আগে ৮৪ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৮২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন ফিঞ্চ।

তবে ফিঞ্চ সাজঘরে ফিরলেও পথচ্যুত হননি ওয়ার্নার। শাহীন আফ্রিদিকে বাউন্ডারি মেরে তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন তিনি। তুলে নেন অনবদ্য সেঞ্চুরি। বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে বিস্ফোরক ওপেনারের ১৫তম তিন অংক ছোঁয়া ইনিংস।

পরে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, কেন রিচার্ডসনের বোলিং তোপে ২৬৬ রানেই থামে ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী দলের ইনিংস। ফলে ৪১ রানে ম্যাচ জিতে যায় অস্ট্রেলিয়া।

শতক করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার বাগিয়ে নেন ডেভিড ওয়ার্নার। তবে পুরস্কারটি তিনি সাথে করে নিয়ে যাননি। মাঠে খেলা দেখতে আসা তার এক ভক্তকে পুরস্কারটি দিয়ে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন এই অজি তারকা।

প্রিয় ক্রিকেটার ওয়ার্নারের ম্যাচ সেরার পুরস্কার উপহার হিসেবে পেয়ে আইসিসির কাছে নিজের অনুভূতি জানিয়েছেন কিশোর, ‘সত্যিই অসাধারণ একটি মুহূর্ত। আমরা দলকে সমর্থন করতে ও সাহস যোগাতে এসেছিলাম। আমার প্রিয় ক্রিকেটারের কাছে থেকে তারই ম্যাচসেরার পুরস্কারটি পাওয়া এক অসাধারণ অনুভূতি।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here