২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ‘সমৃদ্ধি সোপানে বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের’ শীর্ষক এই বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বেলা ৩টা ৭ মিনিটে বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিকাল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

এরপর স্পিকার অর্থমন্ত্রীকে বাজেট উপস্থাপনের জন্য আহ্বান জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনাসহ সরকারি এবং বিরোধী দলের প্রায় সব সংসদ সদস্য সংসদে উপস্থিত রয়েছেন। উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরাও।

বাজেট উপস্থাপন করার আগে অর্থমন্ত্রী মাঝে মধ্যে বসে পাঠ করার অনুমতি নিয়েছেন। তিনি বাজেট উপস্থাপন করার শুরুতে একটি প্রামাণ্য চিত্র তুলে ধরেন। ১৮ মিনিটের প্রামাণ্য চিত্রে বাংলাদেশের ইতিহাস, পাকিস্তান আমলের অর্থনৈতিক বৈষম্য, দেশের স্বাধীনতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। ৩টা ২৬ মিনিটে তিনি মূল বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন। শুরুতে বসে বক্তব্য দেন।

বাজেট পেশের আগে বেলা পৌনে ১টা থেকে শুরু হওয়া সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। সাধারণত প্রতি বছরই বাজেট পেশের দিনে সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার সংক্ষিপ্ত বৈঠক বসে সেখানে বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই বৈঠক শেষ হয় দুপুর আড়াইটায়।

এবার প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ধরা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। যা আগেই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত নতুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের আকার চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় ৫৮ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে না পারা ও উন্নয়ন প্রকল্পে পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থ খরচ করতে না পারায় চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেটের আকার চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকারের চেয়ে ৮০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে ১২ দশমিক ৬২ শতাংশ ও সংশোধিত বাজেটের আকারের চেয়ে ১৮ দশমিক ২২ শতাংশ বড়।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে তিন লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে কর বহির্ভূত আয় ধরা হয়েছে ৩৭ লাখ ৭১০ কোটি টাকা। নতুন বছরে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে ধরে রাখার চেষ্টার কথা বলা হয়েছে। নতুন বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বৈদেশিক সহায়তা বাবদ ৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা পাওয়ার প্রত্যাশা করছে সরকার। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে সংগ্রহ করা হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেধন শুরু হলে বাজেট উপস্থাপনের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল। স্পিকার অনুমতি দিলে অর্থমন্ত্রী বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন। এর আগে রেওয়াজ অনুযায়ী সংসদ নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাদা পায়জামা- পাঞ্জাবীর ওপর মুজিব কোট পরিহিত অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বাজেট ডক্যুমেন্টস ভর্তি কালো ব্রিফকেস হাতে নিয়ে যখন সংসদ অধিবেধন কক্ষে প্রবেশ করেন তখন অপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাদের স্বাগত জানান।

সংসদ ভবন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের আগে তা মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকৈ অনুমোদন করা হয়। সংসদ ভবনের অবস্থিত মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিপরিষদের সভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রিপরিষদের সকল সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। এর পরপরই মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পাওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য সম্মতিসূচক স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। প্রস্তাবিত বাজেটে অতিদ্রুত সম্মতি দিতেই তিনি আগে থেকে সংসদ ভবনের রাষ্ট্রপতির দফতরে অবস্থান করছিলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্যে তেমন সুখবর নেই। মাথাপিছু গড় আয় বাড়লেও বাড়ানো হয়নি করমুক্ত আয়সীমা। টানা পঞ্চম বারের মতো আড়াই লাখ টাকাই থাকছে করমুক্ত আয়সীমা। অথচ উচ্চ হারের মূল্যস্ফীতির কারণে বর্তমানে পাঁচ বছর আগের একই জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে হলে তিন লাখ টাকার বেশি প্রয়োজন।

অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, গৃহিনীসহ সঞ্চয়পত্রের আয়ের উপর নির্ভরশীলদের জন্য বাজেটে রয়েছে দুঃসংবাদ। সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে নতুন বাজেটে।

তবে ঘোষিত বাজেটে কিছু নতুন এবং ইতিবাচক প্রস্তাবও রয়েছে। প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের জন্য কিছু প্রণোদনার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৈধ পথ তথা ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য উৎসাহ দিতে এই প্রণোদনা দেওয়া হবে।

কৃষি পণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিতে কোনো দিক নির্দেশা না থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে পরীক্ষামূলকভাবে শস্য বীমা চালু করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আহ ম মুস্তফা কামাল।

বেকার তরুণদেরকে একটু আশার আলো দেখানোর চেষ্টাও রয়েছে আগামী অর্থবছরের বাজেটে। তরুণদের মধ্যে যারা স্বকর্মসংস্থানে আগ্রহী তাদেরকে বিনাসুদের ঋণসুবিধা দিতে বাজেটে একটি তহবিল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্যেও কিছু প্রণোদনা রাখা হয়েছে। লভ্যাংশ আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী ১ জুলাই থেকে ২০১২ সালে প্রণীত মূল্যসংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে

বাজেটের আকার

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোট টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন। এটি চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে তা সাড়ে ১২ শতাংশ বেশি। আর সংশোধিত বাজেটের চেয়ে তা প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা, আর সংশোধিত বাজেটের আকার চার লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা।

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার জিডিপির ৮ দশমিক ১ শতাংশ।

বাজেট ব্যয়

আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেটের ব্যয়ের বড় একটি অংশ যাবে পরিচালন খাতে। এতে ব্যয় হবে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় হবে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩৪ কোটি টাকা। যার একটি বড় অংশ ব্যয় হবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে। আগামী অর্থবছরে এডিপি খাতে ব্যয় হবে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। আবর্তক খাতের আরও একটি অংশ ব্যয় হবে সুদ পরিশোধে। অর্থাৎ বিদেশ থেকে নেয়া ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় করা হবে ৪ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধ করা হবে ৫২ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা।

ব্যয়ের আরেকটি খাত হচ্ছে এডিপিবহির্ভূত প্রকল্প। এ খাতে ব্যয় হবে ৫ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি স্কিমে ব্যয় হবে ১ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। আর কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিতে ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি মূলধনী খাতে ব্যয় হবে ৩২ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা,খাদ্য হিসাবে ৩০৮ কোটি টাকা এবং ঋণ ও অগ্রিম খাতে ব্যয়ের লক্ষ্য হচ্ছে ৯৩৭ কোটি টাকা।

মোট আয়

বাজেট প্রস্তাবে বড় আকারের ব্যয় মেটাতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। আর অনুদানসহ আয় হবে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান। চলতি বছর মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। আগামী বাজেটে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ৩৮ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে। তবে রাজস্ব আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তা ১৮ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা তিন লাখ ১৬ হাজার ৬১২ কোটি টাকা।

এ ছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে কর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রস্তাব করা হচ্ছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ১০৩ কোটি টাকা,এটি জিডিপির ১১ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে এনবিআর কর রাজস্ব পরিমাণ ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। এনবিআরবহির্ভূত কর রাজস্ব পরিমাণ ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। কর ব্যতীত আয় হবে ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। এ ছাড়া বৈদেশিক অনুদানের পরিমাণ আগামী বছরে দাঁড়াবে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা।

সামগ্রিক ঘাটতি

আগামী অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ (অনুদানসহ) দাঁড়াবে ১ লাখ ৪১ হাজার ২১২ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া এ ঘাটতির পরিমাণ হবে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। তবে অন্য বছরের ন্যায় জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যেই রাখা হয়েছে নতুন ঘাটতি বাজেট। এই ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা।

ঘাটতি পূরণে বড় অংকের ঋণ

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের ঘাটতি মেটাতে সরকার দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেবে। দেশি উৎসের মধ্যে ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে নেয়া হবে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। যা চলতি বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরের তুলনায় ৫ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হবে। অভ্যন্তরীণ অংশের আরেক খাত- সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেয়া হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা। যা চলতি বাজেটে ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বাজেটের তুলনায় আগামী বাজেটে এ খাত থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা কম নেয়া হবে। এর বাইরে অন্যান্য খাত থেকে নেয়া হবে ৩ হাজার কোটি টাকা।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here