শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম যখন বেশি হয়, তখন হতে পারে ক্লান্তিবোধ। যদি এমন হয়, রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমের পরও সকালে ক্লান্তিবোধ হচ্ছে, তাহলে যে বিষয়গুলোয় গুরুত্ব দেয়া যেতে পারে:

ডিহাইড্রেশন

পর্যাপ্ত পানি না খেলে রক্তচাপ কমে যায়, ফলে মস্তিষ্কে ধীরে ধীরে অক্সিজেন পৌঁছায়, যার কারণে ক্লান্তিবোধ হতে পারে। যদি ৮ ঘণ্টা ঘুমের পরও ক্লান্তিবোধ হয়, তাহলে বুঝতে হবে এখন আপনার যা প্রয়োজন, তা হলো যথেষ্ট পানি পান করা। তবে কতটুকু পানি পান করবেন, তা নির্ভর করে একেকজনের শারীরিক অবস্থার ওপর। প্রতি আধঘণ্টায় আধ কাপ পানি পানের চেষ্টা করুন। যারা চা ও কফি বেশি পান করেন, তাদের শরীরে পানির ঘাটতি থাকে একটু বেশিই।

খনিজের অভাব

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বজায় রাখার ক্ষেত্রে, পেশির স্বাস্থ্য ও মনোযোগ ঠিক রাখতে ম্যাগনেশিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে শরীর হয়ে পড়তে পারে ক্লান্ত। সবুজ শাকসবজি ও বাদামে ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টও ভালো কাজ করে।

থাইরয়েড

হাইপোথাইরয়েডিজমের কারণে বেশি ঘুম হতে পারে। যদি আপনার অতিরিক্ত ঘুম হয় কিন্তু তরতাজাবোধ হয় না, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে আপনি হাইপোথাইরয়েডিজমে ভুগছেন কিনা।

ডিপ্রেশন

এমন অনেকেই রয়েছে, যারা ডিপ্রেশনের কারণে কেবল লোকজনের ভিড় এড়িয়েই চলেন না, তারা ঘুমকাতুরেও হয়ে পড়েন। তবে এখানে কথা আছে, ডিপ্রেশন হলে যেমন বেশি ঘুমের প্রবণতা দেখা দেয়, তেমনি তা মধ্যরাতে বিছানা থেকে তুলেও ফেলে। অনেকে মধ্যরাতে ঘুম ভাঙলে বিছানায় থাকতে পারেন না। ফলে হাঁটাহাঁটি, দুশ্চিন্তা, অসময়ে চা-কফি পান শরীরকে আরো অবসাদগ্রস্ত করে তোলে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here