গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, আমরা অনুসন্ধানে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এক হাজার ৮১৮টি বাড়ি পেয়েছি। এসব বাড়ির মালিকরা রাজনীতি ও অর্থের দিক দিয়ে ক্ষমতাবান। আমি তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে বলেছি। অবৈধ বাড়ির মালিক কোনো মন্ত্রী-এমপি হলেও ছাড় দেওয়া হবে না।

শুক্রবার (২১ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পুরান ঢাকার ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, পুরান ঢাকাতে অনেক বাড়ি রয়েছে, সেসব বাড়ি রিডেভেলপমেন্ট করে যার যতটুকু জমি তাকে ততটুকু ফ্ল্যাট থাকার জন্য দেওয়া হবে। আর যেসব ভবন কোনোভাবেই রাখা যাবে না তা ভেঙে ফেলা হবে। অন্যথায় সেসব ভবন সিলগালা করে দেওয়া হবে।

নিজের দফতরের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করারও আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অনেকেই বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যেন নিউজ না হয়, কিন্তু আমি বলি উল্টোটা। আমি ভিন্ন স্রোতে চলতে চাই। আমিসহ আমার অধীনস্ত বারোটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে কিছু নিউজ না করলে, কোনো খবর তো পাবে না। অ্যাকশন নিতে হলে খবর পাওয়া দরকার।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় ঢাকার এফআর টাওয়ার নিয়ে তদন্ত শুরু করলাম। অনেকে পত্রিকায় লিখলেন, তদন্ত আলোর মুখ দেখবে না। কিন্তু আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং পরে তদন্ত প্রতিবেদন সংবাদ সম্মেলন করে প্রকাশ করেছিলাম। সে তদন্ত, আলোর মুখ দেখেছে। ৬২ জন কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছিলাম।

বিজিএমইএ ভবন ভাঙার ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এ ব্যাপারে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে ভবন ভাঙার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যার ঘটনার পর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আমি নিজেও উপস্থিত থেকে বক্তব্য রেখেছিলাম। আমাদের বিচারহীনতার সংস্কৃতি এসব ঘটনার সৃষ্টি করেছে। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে না। তাই শুধু সারগর-রুনি নয় এমন আরও যেসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সব ঘটনার তদন্ত ও বিচার করা হোক।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি ইলিয়াস হোসেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here